কালিহাতীতে যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
Why this classification
১৫ জুন কালিহাতীর রামদেবপুর গ্রামে জমি থেকে মাটি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবদল নেতা শাহ আলমকে পিটিয়ে আহত করা হয়; ১৬ জুন রাতে তার মৃত্যু হয়। এটি একটি সাম্প্রতিক, সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে ধরা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
১৫ জুন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর রামদেবপুর গ্রামে জমি থেকে মাটি তোলা নিয়ে সংঘর্ষে যুবদল নেতা শাহ আলম গুরুতর আহত হন; ১৬ জুন রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কালিহাতীতে যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
জমির মাটি নিয়ে বিরোধ কালিহাতীতে যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা Advertisement কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় যুবদল নেতা শাহ আলমকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার উপজেলার রামদেবপুর গ্রামে জমি থেকে মাটি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহ আলম মারাত্মক আহত হন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বুধবার কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুস ছালাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্গাপুর গ্রামের আলী আজগরের ছেলে শাহ আলম দুর্গাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, রামদেবপুর গ্রামের বাদশা ও নবা আলীর সঙ্গে বাড়ির সীমানা থেকে মাটি তোলা নিয়ে শাহ আলমের বিরোধ বাধে। সোমবার বিকালে দুর্গাপুর গ্রামের গোরস্থানসংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষে শাহ আলমকে বিদ্যুতের তার ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বাদশা পক্ষের লোকজন। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ গুরুতর জখম হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সেখানে তার মৃত্যু হয়। শাহ্ আলমের স্ত্রী খাদিজা জানান, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রামদেবপুর গ্রামের শুকুরের ছেলে বাদশা, সামাদ ও তাদের লোকজন জড়িত। তিনি তাদের শাস্তি চান।
