নিখোঁজের পর ভুট্টা খেতে মিলল শিশুর লাশ, গণপিটুনিতে নিহত ২
Why this classification
This is a single, concrete incident on 16 April 2026 in which a child was found murdered and local residents beat three suspects, killing two of them and seriously injuring a third. Because it involves deaths and a mob attack, it counts as violence under the tracker's rules.
Killed
3
Injured
1
Summary
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল এলাকায় ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) নিখোঁজ ৮ বছর বয়সী শিশু আতিকার হাত-পা বাঁধা লাশ ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়। শিশুটি হত্যায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে গণপিটুনি দিলে অটোচালক পান্নু মিয়া ও তার ভাই ফজলুর মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
গণপিটুনিতে দুজন হত্যার মামলায় ভাই-বোন গ্রেপ্তার
গণপিটুনিতে দুজন হত্যার মামলায় ভাই-বোন গ্রেপ্তার মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ মানিকগঞ্জ গণপিটুনিতে দুজনকে হত্যার মামলায় দুই ভাইবোনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, নিহত শিশু আতিকার চাচা আলমাস হোসেন ও ফুফু ঝর্ণা বেগম। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মানিকগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে পাঠানো হয়। মানিকগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক মামুন হাসান খান আসামি আলমাস হোসেনকে তিনদিন ও ঝর্ণা বেগমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ১৬ এপ্রিল সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল এলাকায় শিশু আতিকা আক্তার হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত হন। পুলিশ জানায়, বিকেলে বনপারিল এলাকায় ৭ বছরের শিশু আতিকা আক্তার নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এক কিশোরকে আটক করা হলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেদিন রাত ১০টার দিকে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জনতা ওই কিশোরের পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে মারধর শুরু করে। এতে কিশোরের বাবা পান্নু মিয়া ও চাচা ফজলুর রহমান বাবু নিহত হন। তাঁর ভাই নাজমুল গুরুতর আহত হন। - বিষয় : - হত্যা
নিখোঁজের পর ভুট্টা খেতে মিলল শিশুর লাশ, গণপিটুনিতে নিহত ২
নিখোঁজের পর ভুট্টা খেতে মিলল শিশুর লাশ, গণপিটুনিতে নিহত ২ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৪ এএম শিশু আতিকা। ফাইল ছবি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৮ বছর বয়সি এক শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার হয়েছে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতার গণধোলাইয়ে প্রাণ গেছে দুজনের। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেন এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। অবশেষে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আতিকার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ দৃশ্য মুহূর্তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে, সৃষ্টি হয় তীব্র ক্ষোভের। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির পরনে থাকা স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে স্থানীয়রা বাবা ও ছেলেসহ তিনজনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এতে অটোচালক পান্নু মিয়া (৩৫) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুলকে (২০) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সদর থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেন জানান, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গণধোলাইয়ের ঘটনাতেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
