নিখোঁজের একদিন পর পাটখেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
Why this classification
ঘটনাটি একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর, যার চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং পুলিশ হত্যা হিসেবে তদন্ত করছে। এটি একটি অপরাধমূলক সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
রংপুরের তারাগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (২০ জুন ২০২৬) পাটখেত থেকে ৯ বছরের শিশু সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির চোখে আঘাতের চিহ্ন থাকায় হত্যার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নিখোঁজের একদিন পর পাটখেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের একদিন পর পাটখেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার নিহত সানজিদা। ছবি: সংগৃহীত রংপুর অফিস প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬ | ১৭:২৫ রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর সানজিদা (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ পাটখেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর আজ শনিবার বাড়ির অদূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। শনিবার দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামে ডালিয়া সেচ ক্যানেলের পাশের একটি পাটখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত সানজিদা উপজেলার ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় শাইলবাড়ী কিন্ডারগার্টেনের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে খেলতে বের হওয়ার পর থেকে সানজিদার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেল থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। না পেয়ে সন্ধ্যার পরে এলাকায় মাইকিং করলেও শিশুটির সন্ধান মেলেনি। শনিবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পাটখেতের মধ্যে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে সেটি নিখোঁজ সানজিদার মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুর দুইটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটিকে না পেয়ে তার পরিবারের লোকজন এলাকায় মাইকিং করেছিল। আজ পাটখেতে লাশ পাওয়ার পরে পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে গেছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই। তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিশুটির চোখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। - বিষয় : - শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার - রংপুর
নিখোঁজের পরদিন পাটখেতে মিলল শিশুর মরদেহ
রংপুরের তারাগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া ৯ বছরের শিশু সানজিদার চোখ দাবানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২০ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির অদূরেই পাটখেত থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতনদের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে সানজিদাকে শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যা পর্যন্ত আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশীদের বাড়িতে খোঁজ করা হয়। তাকে না পেয়ে রাতে মাইকিংও করা হয়। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বাড়ির ২০০ মিটার দূরে ডালিয়া সেচ ক্যানেলের ধারে থাকা পাট খেতে ওই শিশুর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে দেড়টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। পরিবারের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে চারপাশ। দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন ঘটনাস্থল ও সানজিদার বাড়িতে ভিড় করছে। ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবার মাইকিং করছিল। আজ তার মরদেহ পাওয়ায় পুরো এলাকা স্তব্ধ। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করছি। তারাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, নয় বছর বয়সী শিশু সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে তার চোখ দুটি দাবানো ছিল। ফরহাদুজ্জামান ফারুক/ এনটি
