পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে যুবককে হত্যার অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Patuakhali. Parties reported: Local Children, Mentally Disabled Individual. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে আল-আমিন নামক এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ২০ মার্চ সন্ধ্যায় পুলিশ তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিসিটিভি ফুটেজে এক শিশুকে তাকে ধাক্কা দিতে দেখা গেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লঞ্চঘাটে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
সারাদেশ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩০ অ+ অ- পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আল-আমিন (৩২) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয়রা লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। বিজ্ঞাপন নিহত আল-আমিন পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালী গ্রামের মৃত কালু শিকদারের ছেলে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, আল-আমিনকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয় লঞ্চঘাটে গোসলরত শিশুরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের দিকে পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে নিখোঁজ হন আল-আমিন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। পরবর্তীতে আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় পন্টুনের পাশেই তার ভাসমান মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। বিজ্ঞাপন স্থানীয়রা জানান, আল-আমিন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। প্রায়ই তাকে লঞ্চঘাট এলাকায় দেখা যেত। প্রতিবেশী তোফাজ্জেল খাঁন বলেন, আল আমিন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। বিভিন্ন সময়ে মানুষের কাছে হাত পেতে চেয়ে খেত। আমার সাথে দেখা হলেই টাকার আবদার করত। খুবই মজাদার মানুষ ছিল। ওর এমন মৃত্যুটা মেনে নিতে পারছি না। নিহত আল আমিনের বোন রেশমা বলেন, ‘আমাগো ৩ বোনের একটামাত্র ভাই। অসুস্থ হওয়ার পর আমরা শিকল দিয়া বাইন্দা রাহারও চেষ্টা করছি, কিন্তু পারি নাই। এরপর মানসিক ভারসাম্য হারাইয়া আমার ভাই ১১ বছর ধইররা পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুইররা বেড়াইতো। ও কখনো কাউরে কিছু বলতো না, খুব ভদ্র ছিল।’ বিজ্ঞাপন তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দেখেন ছেলেটা আমার ভাইরে ধাক্কা মাইরা পানিতে ফালাইয়া দিছে। আশপাশের কয়েকজন কইছে পানিতে পইরাও ও পোলাপানরে কইছে আমারে তোরা বাঁচা, কিন্তু বাচ্চাগুলা কেউ আগাইয়া আসে নাই, এরপর স্রোতের টানে আমার ভাই পন্টুনের মধ্যে ঢুইকা গ্যাছে। তিন দিন ধইরা আমরা লঞ্চঘাটে অপেক্ষায় ছিলাম আমার ভাইর লাশটার জন্য। যে ছেলেটা ওরে ধাক্কা দিছে আমরা ওর বিচার চাই। আমার ভাইটা কত কষ্টে মারা গেল, পানির নিচে বসেও বাঁচার জন্য অনেক চেষ্টা করছে, ওর জিহ্বাটা অর্ধেক বের হইয়া রইছে এখনো। ধাক্কা দেওয়া ওই ছেলের আমরা বিচার চাই।’ এদিকে আল-আমিন নিখোঁজ হওয়ার পর লঞ্চঘাট এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফুটেজে দেখা যায়, লঞ্চঘাট এলাকায় কয়েকজন শিশু গোসল করছিল। তাদের মধ্যে একজন আল-আমিনকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়। এরপরই তিনি নিখোঁজ হন। আল আমিনের পরিবার জানান, ধাক্কা দেওয়া ওই শিশুকে এখনো শনাক্ত করতে পারেননি তারা। এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/আরএআর
