দৌলতখানে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩
Why this classification
The article describes one specific incident on 25 June 2026 in which attackers used local weapons and sticks against a family, injuring three people. It is a physical clash with a concrete time, place, and actors, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় ২৫ জুন বিকেলে খেতে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাসেল, তার বাবা নুর ইসলাম ও মামা ফয়েজসহ তিনজন আহত হন। অভিযোগ, কয়েক মাস আগে মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনার জের ধরে আবিদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দৌলতখানে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩
দৌলতখানে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ Advertisement দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:১০ এএম ভোলার দৌলতখানে খেতে মহিষ রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকালে উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহত রাসেলের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তার ক্রয়কৃত দুটি মহিষ একই এলাকার আবিদের নেতৃত্বে আলম ও তার ছেলে রুবেল ঘাসের মাঠ থেকে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মহিষ দুটি বাংলাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে দেওয়া হয়। পরে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দিলে পুলিশ প্রকৃত মালিক হিসেবে রাসেলের কাছে মহিষ দুটি বুঝিয়ে দেয়। এ ঘটনার জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মহিষগুলো মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী আবিদের নেতৃত্বে তার বাবা নুর ইসলামের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে বাবার হাতে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। এ সময় তার মামা ফয়েজকেও এলোপাতাড়ি লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। বর্তমানে তারা দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমসহ তাদের সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
