বাসে কুবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা, আটক ৫

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Students confronted a bus and its staff after a female student alleged she was harassed, and bus-side men allegedly attacked students with local weapons. Five people, including the driver and helper, were detained after physical fights, so this is a concrete violent incident within the recent window.

Reported by:SamakalSingle source
24/01/26•পদুয়ারবাজার

Killed

0

Injured

0

Summary

২৪ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লাগামী তিশা-প্লাটিনাম বাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর, পদুয়ারবাজারে শিক্ষার্থীরা বাসটি আটকানোর চেষ্টা করলে বাস মালিকপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর চালক, হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মামুন হোসেন (বাসের হেলপার)আল আমিন (বাসের চালক)কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিমকুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইনোদ্দোউল্লা ফেরদৌসবাস মালিকের পক্ষের কিছু লোককুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

Affected infrastructure

তিশা-প্লাটিনাম বাস

Tags

Sexual HarassmentMob Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/01/26open original ↗

বাসে কুবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা, আটক ৫

বাসে কুবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা, আটক ৫ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১২ | প্রিন্ট সংস্করণ চলন্ত বাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে বাসের চালক, হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ-থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লাগামী ‘তিশা-প্লাটিনাম’ বাসে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার এলাকায় এই হেনস্তার ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিরা হলেন– বাসের হেলপার মামুন হোসেন, চালক আল আমিন। অপর তিনজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী এলাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে তিশা-প্লাটিনাম বাসে ওঠেন তিনি। বাসে ওঠার ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর তিনি নিজের সিটে সমস্যার কথা জানালে হেলপার সিট ঠিক করতে আসেন। এ সময় সিট ঠিক করার অজুহাতে তাঁকে হেনস্তা করেন হেলপার। পরে তিনি বিষয়টি সহপাঠীদের জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পদুয়ারবাজার এলাকায় গিয়ে বাসটি আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় বাস মালিকের পক্ষে কিছু লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করে। আর শিক্ষার্থীরা বাসটির চালক ও হেলপারকে আটক করে বাসসহ ক্যাম্পাসে নিয়ে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাদের দুজনকেও সদর দক্ষিণ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সিটে সমস্যা থাকায় আমরা হেলপারকে ডাক দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদের সরতে না দিয়ে আমাদের শরীরের ওপর দিয়েই সিট ঠিক করতে যান এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অশালীন স্পর্শ করেন।’ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাসটির হেলপার মামুন হোসেন। তার দাবি, চলন্ত বাসে হঠাৎ ব্রেক করলে তারা পড়ে যেতে পারেন ভেবে উঠতে বলেননি। সিট ঠিক করতে গিয়ে তার বাঁ হাতের কনুই তাদের গায়ে লেগে যায়। এ নিয়ে তাকে ধমকান শিক্ষার্থীরা। তিনি তখন ক্ষমা চেয়েছিলেন, কিন্তু পদুয়ারবাজার বিশ্বরোডে এসে হঠাৎ কিছু লোক তাকে মারধর করে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য আমাদের পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য লাগবে। ভুক্তভোগীর কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা করব।’ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইনোদ্দোউল্লা ফেরদৌস জানান, শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে চালক ও হেলপারকে আটক করে বাসসহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যান। পরে বাসটি নুরজাহান হোটেলের সামনে দাঁড়ালে সেখানে উপস্থিত অন্যান্য বাসের চালক ও হেলপারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।   - বিষয় : - আটক