চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রের বাইরে মোমবাতি সমর্থককে মারধরের অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as political violence in Chattogram. Parties reported: Bangladesh Islami Front (Candle), Opposition Supporters. Reported casualties: 0 killed and 2 injured. Reported by 4 sources.
Killed
0
Injured
2
Summary
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার গুন্দীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে মোমবাতি প্রতীকের সমর্থক জহিরুল ইসলামকে মারধর করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
74% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রের বাইরে মোমবাতি সমর্থককে মারধরের অভিযোগ
রাজনীতি চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রের বাইরে মোমবাতি সমর্থককে মারধরের অভিযোগনিজস্ব প্রতিবেদক১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৬অ+অ-চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে মোমবাতি প্রতীকের এক সমর্থককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোটগ্রহণ চলাকালে গুন্দীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারধরের শিকার ব্যক্তির নাম জহিরুল ইসলাম হেলাল। তিনি মোমবাতি প্রতীকের একজন সক্রিয় সমর্থক। সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি কেন্দ্র এলাকায় অবস্থান করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রের আশপাশে অবস্থানকালে একপর্যায়ে অন্য কয়েকজনের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের কথাকাটাকাটি শুরু হয়। সেই তর্ক-বিতর্কের জেরে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরেন এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পরপরই কেন্দ্রে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর এই ঘটনার রেশ থাকলেও ভোটগ্রহণ কার্যক্রম কোনো বিঘ্ন ছাড়াই অব্যাহত আছে বলে জানা গেছে। এমআর/বিআরইউ
হুইল চেয়ারে করে ভোট দিতে আসলেন খাদিজা বেগম
আপডেট দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ : ইসি সচিব ফটিকছড়িতে বিএনপি ও জামায়াতের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউলের নির্বাচন বর্জন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জাল ভোট দিতে এসে যুবক আটক, এক মাসের কারাদণ্ড তিন আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত চাইল জামায়াত দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি চট্টগ্রামে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া, আহত ৬ ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৮৬টি বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ : ইসি সচিব ফটিকছড়িতে বিএনপি ও জামায়াতের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউলের নির্বাচন বর্জন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জাল ভোট দিতে এসে যুবক আটক, এক মাসের কারাদণ্ড তিন আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত চাইল জামায়াত দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি চট্টগ্রামে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া, আহত ৬ ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৮৬টি বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার লোড হচ্ছে ...
ফলাফলের তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষরের জন্য চট্টগ্রামে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে ফলাফলের তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষর নেওয়ার দায়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ফরিদুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই আসনের (আংশিক) উত্তর সাতকানিয়া আলী আহমদ প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ওই ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ফরিদুল আলম ফলাফলের তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষর নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। ঘটনার পর কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়। আরও পড়ুন ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াতের দুই সমর্থককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পরে দায়িত্বরত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থলে পৌছে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করলে দুপুর দেড়টার দিকে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। প্রত্যাহার হওয়া প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ফরিদুল আলম জানান, ভোট শেষে ফলাফলের তালিকা তৈরিতে ঝামেলায় পড়তে হয়। এ কারণে তিনি আগেভাগে ফলাফলের তালিকায় স্বাক্ষর নিয়েছেন। খারাপ উদ্দেশ্যে এ কাজ করেননি বলেও জানান তিনি। ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, ফলাফলের তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অপরাধ করেছেন। তিনি এলডিপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
ভোটে কারচুপির অভিযোগ এলডিপির অলি আহমদের
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমফাইল ছবি: প্রথম আলো লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণের সময় বিকেল ৪টার পর বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে। নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার এক ভিডিও বক্তব্যে এলডিপি চেয়ারম্যান এ অভিযোগ করেছেন। এ আসন থেকে তাঁর ছেলে ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। চট্টগ্রাম–১৪ আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। অলি আহমদ বলেন, বিশেষ করে তিনটি জায়গায়— হাসিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাসিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান হাই স্কুলে সাড়ে ৪টার পরে অপরিচিত কয়েক শ লোক জোরপূর্বক প্রবেশ করে। হয়তো ওইখানে যারা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ছিল, তাঁদের সঙ্গে পূর্বপরিকল্পিত ছিল এভাবে কাজ করার জন্য। তারা অনেকগুলো ব্যালেট পেপার সেখানে ডুকিয়ে দিয়েছে। এলডিপির সভাপতি বলেন, ‘এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা ছিল, আড়াইটা-তিনটার পর থেকে আমাদের যাঁরা নেতা–কর্মীরা কেন্দ্রের বাইরে দায়িত্বরত ছিলেন, তাঁদেরকে পিটিয়ে বের করে দিয়েছে। প্রশাসনকে বারবার বলা সত্ত্বেও আমাদের যাঁরা কাজ করছিলেন, তাদের মারপিট করেছে। অন্যদিকে জসিম ৬-৭টা মাইক্রো, মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করেছেন এবং সন্ধ্যার আগে–পরে প্রায় ৩০-৪০টা মাইক্রোবাস, ট্রাক নিয়ে মিছিল করে উপজেলা সদরে এসেছেন। এখানে আর্মি ক্যাম্প, পুলিশের ক্যাম্প ছিল, পুলিশের থানা ছিল, প্রশাসন ছিল; তাঁকে বারণ করে নাই।’ অলি আহমদ অভিযোগ করেন, এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যাঁরা নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা একতরফাভাবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় তাদের এজেন্টদের সাড়ে ৪টার পর বের করে দিয়েছেন। এ ছাড়াও ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোট বাতিল বলে গণ্য করেছে। এজেন্টেরা যখন এটা চ্যালেঞ্জ করেছেন, তাঁদেরকে বাতিলগুলো কেন–কীভাবে করা হয়েছে, এইগুলো দেখানো হয় নাই। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ওমর ফারুককে পরাজিত করা হয়েছে অভিযোগ করে কর্নেল অলি বলেন, ‘ওমর ফারুকসহ বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রার্থীরা যাঁরা এক থেকে দেড় হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন, এটা সুপরিকল্পিতভাবে, অত্যন্ত সুক্ষভাবে এ কাজটা করা হয়েছে। আমরা পরাজিত হই নাই। পরাজিত হয়েছে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ।’ ভিডিও বার্তায় এলডিপির সভাপতি আরও বলেন, এখন কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলেরা তাঁদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে; এ ক্ষেত্রে প্রশাসন নিরব। অথচ প্রশাসনের উচিত দুদিন এখানে বসে প্রত্যেকটা জায়গায় টহল দেওয়া এবং দেখা কোনো জায়গা সমস্যা হচ্ছে কি না। তারা এ ব্যাপারে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন চট্টগ্রামএলডিপিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
