উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, specific incident in which a college student was beaten with an iron rod and seriously injured in Bhola district on Wednesday, 10 June 2026, after he protested the harassment of a schoolgirl. The article is dated 16 June 2026, so the incident falls within the 14-day window.

Reported by:JugantorSingle source
10/06/26•বড়মানিকা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, বোরহানউদ্দিন

Killed

0

Injured

1

Summary

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. মামুনকে (২৫) রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় মারাত্মক জখম করা হয়। (১০ জুন ২০২৬) সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে এবং আহত মামুন বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. মামুন (২৫), ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র (আহত)মো. শামিম, কুড়ালিয়া ৪নং ওয়ার্ডের রুহুল আমিন বাড়ইয়ের ছেলে (হামলাকারী)আব্দুস সালাম, হামলাকারীর ভাইমো. মনিরুজ্জামান মনির, বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 16/06/26open original ↗

উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা

উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা Advertisement বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩৩ পিএম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে জনৈক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. মামুনকে (২৫) রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় মারাত্মক জখম করেছে মো. শামিম নামে এক যুবক। গত বুধবার সন্ধ্যায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে মামুনের পরিববার জানায়, আহত কলেজ ছাত্র মামুনকে উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে পরে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসেবা দেওয়া হয়। আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়মানিকা ১নং ওয়ার্ডের জনৈক এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন পাশের এলাকা কুড়ালিয়া ৪নং ওয়ার্ডের মো. রুহুল আমিন বাড়ইয়ের ছেলে মো. শামিম। ওই স্কুলছাত্রী ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মামুনের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে হওয়ায় মেয়ের ভাইয়ের সাথে ওই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন পর মামুনকে একা পেয়ে শামীম রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী কায়দায় রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। আহত শিক্ষার্থী মামনুকে উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসা শেষে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। মামুন বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। এ হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ব্যাপার আহত কলেজছাত্র মো. মামুন বলেন, পাশের এলাকার শামীম আমাদের বাড়ির ওপর ভাতিজি স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে। ওই ঘটনায় মেয়ের ভাইয়ের সাথে আমি প্রতিবাদ করি। ওই সময় ছেলেটি স্কুলছাত্রীকে আর বিরক্ত করবে না বলে পারিবারিকভাবে প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ঘটনার সমাধান হয়। এ ঘটনার জের ধরে মো. শামীম বাড়ইসহ অনেকে আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য বুধবার রাতে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। আহত মামুন আরও বলেন, আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে আমার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত ডাক্তার ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। এ ব্যাপার হামলাকারী শামীমের ভাই আব্দুস সালাম জানান, আমি ঢাকায় আছি। আমার ভাইকে আগে মারধর করা হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পারিবারিক এ ঘটনায় মীমাংসের চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, এ ঘটনায় এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।