‘মনে হয় ২ মেয়েকে নিয়ে বাসের নিচে ঝাঁপ দিই’

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রতিবেদনে ১০ জুন সোনারগাঁয়ের শিরাব এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের নির্দিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতা। ভুক্তভোগী ও তার পরিবার হুমকির শিকার হলেও মূল ঘটনা ধর্ষণ, তাই এটি জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
10/06/26•Shirab, Jamupur Union, Sonargaon

Killed

0

Injured

1

Summary

গত ১০ জুন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের শিরাব এলাকায় এক নারীকে যুবদল নেতা শহীদ ও তার সহযোগী শাহিন মিয়া সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীর পরিবার হুমকির মুখে হাসপাতালের সামনে রাস্তায় বসবাস করছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

Md. Shahid (Jubo Dal leader)Shahin MiaVictim's husbandOC Golam SarowarRMO Zahirul IslamDr. Golam Mostafa

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 14/06/26open original ↗

‘বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছি’, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারীর আতঙ্ক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ আতঙ্কে নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এক যুবদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পলাতক রয়েছে আরও একজন অভিযুক্ত। পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে ভাড়া বাসায় দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন ওই দম্পতি। গত বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগীর রাজমিস্ত্রি স্বামী কাজের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে অভিযুক্তরা ঘরে ঢুকে দুই শিশুসন্তানের সামনে মুখ চেপে ধরে তাকে রান্নাঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তিনজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শুক্রবার বিকেলে তিনি সোনারগাঁ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ (৪০) ও তার সহযোগী শাহিন মিয়া (৩৮)। অপর এক আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন। শনিবার (১৩জুন) ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে। তবে পরীক্ষার পরও তিনি বাড়ি ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানান। ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বলেন, এলাকার লোকজন আগে বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ দিয়েছিল। এখন মামলা করেছি, আসামিরাও গ্রেপ্তার হয়েছে। এলাকায় গেলে কোনো সমস্যায় পড়তে হয় কি না, সেই ভয় আছে। কোথায় যাব বুঝতে না পেরে হাসপাতালেই অবস্থান করছি। তাদের স্বজনদের অনেকেই এখনো ঘটনাটি জানেন না। ফলে শ্বশুরবাড়ি বা বাবার বাড়িতেও আপাতত যেতে পারছেন না তারা। সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, মামলার পরপরই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে নিজ এলাকায় নিরাপদে বসবাস করতে পারবে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ থাকলে পুলিশকে জানাতে হবে। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। মীমরাজ হোসেন/আরকে

Source 2: Jugantor · 14/06/26open original ↗

‘মনে হয় ২ মেয়েকে নিয়ে বাসের নিচে ঝাঁপ দিই’

ধর্ষণের মামলা করে বিপাকে পরিবার ‘মনে হয় ২ মেয়েকে নিয়ে বাসের নিচে ঝাঁপ দিই’ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম ‘চার-পাঁচ দিন যাবত পেটে কোনো ভাত জুটছে না। কামায় রুজিও এখন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ। হত্যার হুমকির কারণে ভাড়া বাড়িতেও ফিরতে পারছি না। বাধ্য হয়ে রাস্তায় দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হচ্ছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার আমার স্ত্রীর অবস্থাও ভালো নেই। হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় ভর্তি হয়ে সে কাতরাচ্ছে। পেটের ক্ষুধা আর স্ত্রীর অবস্থা দেখে আমার মাঝেমধ্যে মনে হয় দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাসের নিচে ঝাঁপ দিই।’ রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের সামনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো বলছিলেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী এক নারীর স্বামী। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের শিরাব এলাকায় গত ১০ জুন যুবদল নেতা ও তার সহযোগীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই নারী। ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী আরও বলেন, ‘মনের দুঃখ, হতাশা আর দুঃখ চিরতরে নিভিয়ে দেই। সবাই আমার পরিবারের করুণ পরিণতি দেখতে আসে। কেউ আমাদের টাকা-পয়সা বা খাবার দিয়ে সাহায্য করে না।’ ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামীর দাবি, দরিদ্রতার কারণে তিনি নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। এ কারণে তিনি নিজের গ্রাম চাঁদপুরের মতলব এলাকা ছেড়ে সোনারগাঁয়ের শিরাব এলাকায় তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। গত ১০ জুন সকালে তিনি স্থানীয় সাদীপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি এলাকায় বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ করতে যান। দুপুরে বাড়িতে ফিরে আবার বিকালে ওই নির্মাণ কাজের পারিশ্রমিকের টাকা আনতে বের হন। তিনি বলেন, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তার স্ত্রী রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। ওই অবস্থায় সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ ও সহযোগী শাহিন মিয়া তার মুখ চেপে ধরে সন্তানদের ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে নিয়ে তারা আমার স্ত্রীকে হাত ও মুখ বেঁধে সংঘবদ্ধভাবে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে তার স্ত্রী ওই ভাড়া বাসায় ফিরে যান। সন্ধ্যার পর আমি নির্মাণ কাজের পারিশ্রমিকের টাকা নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসার পর আমার স্ত্রী আমাকে পুরো ঘটনাটি অবহিত করেন। পরবর্তীতে আমরা সোনারগাঁ থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। তিনি বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে ও শুক্রবার (১২ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ ও সহযোগী শাহিন মিয়াকে গ্রেফতার করে। থানায় মামলা দায়ের করার সময় উপজেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা আমাদের মামলা দায়ের করতে বাধা সৃষ্টি করে ও ভয়ভীতি দেখায়। নিরাপত্তার কারণে আমরা তার নাম প্রকাশ করতে পারছি না। ধর্ষিতার স্বামী জানান, মামলা দায়েরের পর থেকে মামলার আসামি, তাদের পরিবার ও তাদের দলীয় লোকজন আমাদের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অব্যাহতভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তারা মনে হয় আমাদের মেরে ফেলবে। আমরা এখন কী করব? কোথায় যাব? আমাদের কে নিরাপত্তা দিবে? আমরা কার কাছে গেলে ন্যায়বিচার পাব? তাদের হুমকির কারণে এখন আমরা ভাড়া বাসায় যেতে পারছি না। ধর্ষণের শিকার অসুস্থ স্ত্রী ও দুই মেয়েকে সাথে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের সামনে রাস্তার পাশে বসবাসের ঠিকানা বের করেছি। পেটে কোনো খাবার নেই। হাসপাতালের সামনে রাস্তার পাশে অসুস্থ স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতে দেখে হাসপাতালের আরএমও জহিরুল ইসলাম ও চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা আমার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তির ব্যবস্থা করেন। তিনি বলেন, আমি এখন নিরাপত্তার অভাবে আমার দুই মেয়েকে নিয়ে রাস্তায় জীবনযাপন করছি। আমার কাছে কোনো টাকা নেই। খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। দুই সন্তানকে নিয়ে চার দিন যাবত অনাহারে জীবনযাপন করছি। তবুও আমি ন্যায়বিচার চাই। আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তারা আমার পুরো পরিবারটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে। এই মুখ আমি মানুষকে কিভাবে দেখামু। কান্না ছাড়া আমার আর এখন কিছুই করার নেই। ধর্ষিতা ওই নারীর স্বামী আরও জানান, থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ ডাক্তারি পরীক্ষা করানোর জন্য মুমূর্ষু অবস্থায় তার স্ত্রীকে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে পুলিশ আমার মুমূর্ষু স্ত্রী ও আমাদের ফেলে রেখেই চলে যান। পরে আমরা হাসপাতালের পাশে খোলা আকাশের নিচে রাস্তায় বসবাস শুরু করি। সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের পুরো নিরাপত্তা দিতে পুলিশ কাজ করছে। মামলার আসামিরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।