ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালাল ২ ব্যক্তি
Why this classification
The incident is a criminal matter involving the discovery of a deceased teenager; there is no evidence of political party involvement or political conflict.
Killed
1
Injured
0
Summary
বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় দুই ব্যক্তি। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালকের ওপর হামলা, ২০ হাজার টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়
ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালকের ওপর হামলা, ২০ হাজার টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয় ছবি-সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:২৬ টেন্ডার সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। হামলাকারীদের ২০ হাজার টাকায় ভাড়া করা হয়েছিল। এ ঘটনায় র্যাব পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া বনানী থানা পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে মোট গ্রেপ্তার সংখ্যা ৭ জন। সোমবার বিকেলে ডা. আহমদ হোসেন হেঁটে মহাখালীর ওয়াসা রোডের বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় পুরাতন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পেছনের গলিতে মাস্কপড়া দুইজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা করে। তার ডান হাত ও পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বনানী থানায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। পুলিশের পাশাপাশি মামলাটি র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছে, ক্যানসার হাসপাতালের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা চালানো হয়। টেন্ডারকে ঘিরে বিরোধে জড়িত দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি ‘ইএমই ট্রেডার্স’ এবং অন্যটি ‘মোনায়েম গ্রুপ’। এর মধ্যে ইএম ট্রেডার্সের মালিক রুবেল মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তিনিই এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। তার পক্ষে দেশে থাকা করিমসহ অন্যরা কাজটি সম্পন্ন করে। র্যাব জানায়, হামলার ধরন দেখে এটি হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিএমপির গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান সমকালককে বলেন, তারা ইউসুফ আলী ও নেছার আহমেদ নামে দুজনকে কড়াইল বস্তি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছেন। এই দুইজন বস্তির বাসিন্দা।
ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালাল ২ ব্যক্তি
রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলির উপর অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়েছে দুই ব্যক্তি। ওই কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের টলিম্যান আব্দুর রউফ জানান, আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী দুই পুরুষ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ওই কিশোরীকে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। টলিম্যান আব্দুর রউফ ট্রলি নিয়ে এগিয়ে গেলে, তারা কিশোরীকে ট্রলিতে তোলেন এবং জরুরি বিভাগের টিকিট কাটার কথা বলে কৌশলে দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়েন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগার স্পষ্ট দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, ভিকটিমের শরীরে আঘাত ও গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বা অন্য কী কারণে মারা যেতে পারে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রযুক্তি সহায়তায় ওই কিশোরীর নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সিএনজিসহ পালিয়ে যাওয়া দুই পুরুষকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এসএএ/জেআই
ভাষানটেকে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
ভাষানটেকে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন ও মিরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর ভাষানটেকে ১৩ বছর বয়সি কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার মাজহারুল (৩২) পেশায় রিকশাচালক। বৃহস্পতিবার দুপুরে ২নং বস্তিতে এ ঘটনা ঘটে। ভাষানটেক থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজেদুল করিম সরকার বলেন, গ্রেফতার মাজহারুল এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর মা পেশায় একজন গৃহকর্মী এবং মাজহারুল তার দ্বিতীয় স্বামী। গত তিন বছর ধরে তারা ওই বস্তির একটি বাসায় ভাড়া থাকছেন। তার প্রথম সংসারের সন্তান ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিনের মতো সকালে কাজে যাওয়ার সময় ৮ মাসের ছোট ভাইকে দেখাশোনার জন্য ভুক্তভোগীকে বাসায় রেখে যান তিনি। দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন মাজহারুল কিশোরীকে ধর্ষণ করার সময় এলাকাবাসীর নিকট হাতেনাতে ধরা পড়েছে। পরে পুলিশ মাজহারুলকে গ্রেফতার করে। এরপর ভিকটিম কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
