মোহনগঞ্জে ফসল রক্ষার বাঁধ কেটে মাছ ধরা হচ্ছে

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a deliberate destructive act (cutting a flood‑protection dam) carried out by unidentified criminals, which meets the definition of relevant violence and occurs within the 14‑day window, so it is classified as a violent incident.

Reported by:JugantorSingle source
14/06/26•Charhaijda

Killed

0

Injured

0

Summary

রোববার রাতে মোহনগঞ্জের চরহাইজদা ফসল রক্ষার স্থায়ী বাঁধ কেটে মাছ ধরার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা তা লক্ষ্য করে মেরামত ও তদন্তের ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

রাসেল মিয়াসাখাওয়াত হোসেনখন্দকার মুশফিকুর রহমান

Affected infrastructure

flood protection dam

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 17/06/26open original ↗

মোহনগঞ্জে ফসল রক্ষার বাঁধ কেটে মাছ ধরা হচ্ছে

মোহনগঞ্জে ফসল রক্ষার বাঁধ কেটে মাছ ধরা হচ্ছে Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মোহনগঞ্জের চরহাইজদা ফসল রক্ষার স্থায়ী বেড়িবাঁধ ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। মাছ ধরার উদ্দেশে পরিকল্পিতভাবে স্থায়ী ওই বাঁধটি কাটার চেষ্টা করা হয় বলে জানা যায়। গাগলাজুর গ্রামের রাসেল মিয়া বলেন, বাঁধের যে জায়গাটা কাটা হয়েছে, তার বিপরীত পাশেই রয়েছে একটি গভীর কুড়। ওই কুড়ে মাছ প্রবেশ করানোর জন্যই কিছু লোক রোববার রাতের আঁধারে বাঁধটি কাটার চেষ্টা করে। সোমবার এ বিষয়টি এলাকাবাসীর চোখে পড়লে আমাদের জানায়। আমরা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কাউকে না পেয়ে নিজেরাই বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যারা এ কাজে জড়িত তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি। পাউবোর জেলা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কার্যালয় থেকে লোক পাঠানো হচ্ছে। বাঁধ মেরামত করাসহ বিষয়টি তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় ইউএনওকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছে।