খুন হওয়া জাহেদকে ‘পিচ্চি জাহেদ’ বলে গুজব, যা বলছে পুলিশ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because the perpetrators are alleged to be local leaders of the BNP and Jubo Dal, indicating a political motive for the murder.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
30/08/26•South Puranghar, Satkania

Killed

1

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ৩০ আগস্ট রাতে সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউনিয়নে জাহেদুল ইসলাম নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাদের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

Unknown

Other actors

জাহেদুল ইসলামমো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী

Tags

Political AssassinationMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 01/09/26open original ↗

খুন হওয়া জাহেদকে ‘পিচ্চি জাহেদ’ বলে গুজব, যা বলছে পুলিশ

খুন হওয়া জাহেদকে ‘পিচ্চি জাহেদ’ বলে গুজব, যা বলছে পুলিশ ফাইল ছবি আহমেদ কুতুব, চট্টগ্রাম প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬ | ২১:৪০ সাতকানিয়ায় জাহেদুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক খুন হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, নিহত ব্যক্তি চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) তালিকাভুক্ত এক নম্বর দুষ্কৃতকারী মো. জাহেদ ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদ’। তবে পুলিশের অপরাধের তথ্যভান্ডার (পিসিপিআর) যাচাই করে জানা গেছে, নিহত জাহেদুল ইসলাম ও ‘পিচ্চি জাহেদ’ একই ব্যক্তি নন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ বলছে, দুজনের নাম ও উপজেলা একই হওয়ায় এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাদের বাবার নাম, গ্রামের ঠিকানা এবং অপরাধের রেকর্ড আলাদা। সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, নিহত জাহেদুল ইসলামকে সিএমপির তালিকাভুক্ত শীর্ষ দুষ্কৃতকারী ‘পিচ্চি জাহেদ’ হিসেবে উল্লেখ করে যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। ‘পিচ্চি জাহেদ’ জীবিত আছেন। নিহত জাহেদুল ইসলাম অন্য ব্যক্তি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ‘পিচ্চি জাহেদের’ বাবার নাম মো. ইউনুচ। তার বাড়ি সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়নের বড়দুয়ারা সিকদারপাড়ায়। অন্যদিকে নিহত জাহেদুল ইসলামের বাবার নাম নুরুল ইসলাম, যিনি ‘সর্বহারা নুরু’ নামে পরিচিত। জাহেদুলের বাড়ি উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচ ঘইগড়া পাড়ায়। সড়কে গাছ ফেলে কুপিয়ে হত্যা রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পুরানগড় গ্রামের ভাঙারগোড়া এলাকায় ফরিদ সওদাগরের দোকানের সামনে জাহেদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা সড়কে গাছ ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে জাহেদুলকে থামায়। এরপর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে জাহেদুলের বিরোধ চলছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপরাধের রেকর্ডেও পার্থক্য পুলিশের পিসিপিআর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নিহত জাহেদুল ইসলামের নামে হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ আটটি মামলা রয়েছে। আর সিএমপির তালিকাভুক্ত ‘পিচ্চি জাহেদের’ নামে রয়েছে ৩১টি মামলা। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে ৩২৯ জন ‘দুষ্কৃতকারী’র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিএমপি। পুলিশের অপরাধের তথ্যভান্ডারে থাকা তথ্য ও অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে ওই তালিকা করা হয়। তালিকায় প্রথম নাম ছিল মো. জাহেদ ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদের’। নাম ও উপজেলার মিল থাকায় নিহত জাহেদুল ইসলামকে ওই তালিকার ‘পিচ্চি জাহেদ’ বলে সোমবার দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ দুই ব্যক্তির পরিচয়, ঠিকানা ও অপরাধের রেকর্ড যাচাই করে জানায়, তারা আলাদা ব্যক্তি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়া কাম্য নয়। দুই ব্যক্তির পরিচয় ও বাড়ির ঠিকানা আলাদা-এটি পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।

Source 2: Jugantor · 01/09/26open original ↗

সাতকানিয়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

সাতকানিয়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো ও সাতকানিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে জাহেদুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পুরানগড় গ্রামের ভাঙারগোড়া এলাকায় ফরিদ সওদাগরের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জাহেদ একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কালীনগর গ্রামের নুরুল ইসলাম ওরফে সর্বহারা নুরুর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহতের পরিবার এ ঘটনায় স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে। জাহেদুল ইসলামের মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা মোহাম্মদ ওয়াহিদ (২৮) আহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জাহেদ স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে তার কোনো পদ-পদবি ছিল না। ২৫ আগস্ট রাতে উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়ন পরিষদের পুরোনো কার্যালয়ের সামনে থেকে ২টি আকাশমণি গাছ চুরি হয়। পরে গাছগুলো বাজালিয়া ইউনিয়নের শেরে বাংলা উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে বন বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়। এই গাছগুলো সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে নিলামের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর কয়েকদিন পর রাতের আঁধারে গাছগুলো কাটার মুহূর্তের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় সেখানে জাহেদকে দেখা না গেলেও উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রদল নেতা জয়নাল আবেদীন মানিক গাছ চুরির সঙ্গে জাহেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। আরও জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৩০ আগস্ট রাতে নতুনহাটে পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপির সংগঠক জসিম উদ্দিন ওরফে মিষ্টি জসিমের নেতৃত্বে একটি প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। রাত ৮টার দিকে জাহেদ নতুনহাটে গেলে মানিককে দেখতে পেয়ে চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর মানিকসহ সেখানে থাকা অন্যরা জাহেদকে ধাওয়া দিলে তিনি মোটরসাইকেলযোগে বাজালিয়ার দিকে পালিয়ে যান। একইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহেদ ও তার বন্ধু মোহাম্মদ ওয়াহিদ বাজালিয়া থেকে মোটরসাইকেলযোগে ফেরার পথে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মানিক ও পুরানগড় ইউনিয়ন যুবদলের সংগঠক মোহাম্মদ রিদোয়ান ইসলাম দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে জাহেদকে কুপিয়ে জখম করে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন। একই সময় নতুনহাট থেকে ২-৩টি সিএনজিচালতি অটোরিকশা ভরে লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা জাহেদকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিড়িংঘাটা গ্রামে স্থানীয় রাজনীতি ও জায়গাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চন্দনাইশ উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-অর্থ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খোকাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মিষ্টি জসিমের শ্যালক। আর ওই মামলায় নিহত জাহেদুল ইসলাম এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন। নিহতের মামা শাহেদ আলী বলেন, মিষ্টি জসিম, রিদোয়ান, মানিক, মিষ্টি টিপু, হাবীব, রাজা মিয়া ও তার ছেলেসহ অন্তত ৫০-৬০ জন রীতিমতো উৎসব করে আমার ভাগিনাকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করেছে। তারা সবাই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের স্বজন ও আহত ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলেছি। বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। ঘাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে নিহত জাহেদুল ইসলামের মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা আহত মোহাম্মদ ওয়াহিদ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে ঘটনার সময় মানিক, রিদোয়ান, হাবীব ও মিষ্টি টিপুকে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপির সংগঠক জসিম উদ্দিন ওরফে মিষ্টি জসিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জাহেদ হঠাৎ করে নতুনহাটে এসে অহেতুক মানিককে মারধর করে সটকে পড়ে। এ সময় আমরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভা করছিলাম। এরপর আমি একটি ভিডিও কনফারেন্সে ছিলাম। জাহেদের বিষয়টি আমি বাড়িতে যাওয়ার পর জানতে পেরেছি।