দুই বন্ধুর মারামারি, দেবরকে রক্তাক্ত দেখে ভাবির মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Two men fought physically over a minor purchase dispute and both were badly injured, so this is a real violent clash on a recent date. The woman's death was reported as a stroke linked to shock, and police say she had prior health problems, so she is not counted as a killed victim of the fight.

Reported by:JugantorSingle source
01/04/26•পীরপুর গ্রাম

Killed

0

Injured

2

Summary

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পীরপুর গ্রামে ১ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) সন্ধ্যায় সরিষার খৈল কেনা নিয়ে দুই বন্ধু সোহেল রানা ও রনজু হোসেনের মধ্যে মারামারিতে দুজনই রক্তাক্ত জখম হন। রনজুকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে তাঁর ভাবি আইরিন খাতুন (৫০) স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান, তবে পুলিশ জানিয়েছে তিনি আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সোহেল রানারনজু হোসেনআইরিন খাতুনখোকন বিশ্বাসমিজানুর রহমান (ওসি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা)

Tags

Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 02/04/26open original ↗

দুই বন্ধুর মারামারি, দেবরকে রক্তাক্ত দেখে ভাবির মৃত্যু

দুই বন্ধুর মারামারি, দেবরকে রক্তাক্ত দেখে ভাবির মৃত্যু Advertisement চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১২ পিএম চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক বন্ধুকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে তার ভাবি আইরিন খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে সদর উপজেলার পীরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আইরিন খাতুন ছিলেন ওই গ্রামের খোকন বিশ্বাসের স্ত্রী। পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, পান বরজে সার হিসেবে ব্যবহারের জন্য সরিষার খৈল কেনা নিয়ে দুই বন্ধু সোহেল রানা ও রনজু হোসেনের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মারামারি হয়। দুজনই রক্তাক্ত জখম হন। সোহেল রানাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় আহত রনজু হোসেনকে বাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তার ভাবি আইরিন খাতুন (৫০)। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন আইরিন খাতুন।