যাত্রাবাড়ীতে স্ত্রীকে চার টুকরা করে হত্যার অভিযোগ, স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ
Why this classification
The article reports a recent (12 Oct 2026) murder where a husband killed and dismembered his wife in South Jatrabari, Dhaka. This satisfies the violence criteria (fatality) and occurs within Bangladesh, so it is classified as a violence incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর পাঁচতলা বাড়িতে শিরিন বেগমের খণ্ডিত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্বামী দুলাল হাওলাদার দেহ কেটে ফেলেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
96% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
যাত্রাবাড়ীতে চার টুকরা লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক
রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শিরিন আক্তার নামের এক নারীর চার টুকরা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে একটি ব্যাগ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামী দুলাল হাওলাদারকে আটক করেছে পুলিশ।
যাত্রাবাড়ীতে স্ত্রীকে চার টুকরা করে হত্যার অভিযোগ, স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ
রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে একটি বাসার পাঁচতলা থেকে শিরিন বেগম (৩৫) নামে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামী দুলাল হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ চার টুকরা করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম মঈন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ কে এম মঈন উদ্দিন জানান, গত ২ অক্টোবর স্ত্রী শিরিন বেগমকে নিয়ে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ওই পাঁচতলা বাসাটি ভাড়া নেন দুলাল হাওলাদার। তাদের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া এলাকায়। এই দম্পতির সন্তানও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। দুলাল তার স্ত্রীকে সন্দেহ করতেন। শিরিন মোবাইলে অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতেন এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জেরে রোববার রাতে দুজনের মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে দুলাল তার স্ত্রীর মাথা দেয়ালে আঘাত করলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বটি দিয়ে তার মরদেহ চার টুকরা করা হয়। এরপর মাথা, শরীর ও দুই পা আলাদা করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাসার বারান্দায় রাখা হয় বলে জানা গেছে। এদিকে, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার শব্দ শুনে এলাকাবাসী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে গতকাল দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে বাসার বারান্দা থেকে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এমএসি/এমএসএ
ঢাকার ফুটপাতে একজনকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল
ফুটপাতে মারধরের এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছেছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে মারধর করছেন এক যুবক। কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছে। পাশ দিয়ে চলছে যানবাহন। দুই পুলিশ সদস্যসহ পাশে দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে পুলিশ ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডে অবস্থিত বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে এ ঘটনা ঘটে। এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে হামলার শিকার হন ওই ব্যক্তি। একপর্যায়ে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ রানা (৪৮) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করে ধানমন্ডি থানা-পুলিশ। পরে তাঁকে এক মাসের সাজা দিয়ে কারাগার পাঠান ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক রাগ ও ক্ষোভের সঙ্গে গালাগাল করতে করতে ওই ব্যক্তিকে থাপ্পড় ও লাথি মারছেন। এ সময় আশপাশে ভিড় করেন পথচারীরা। তাঁদের কেউ কেউ ঘটনাটি দেখছেন, আবার কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও করছেন। ভিডিওতে পথচারীদের কথোপকথনের খণ্ডিত অংশ শোনা যায়। তাঁদের কাউকে কাউকে বলতে শোনা যায়—‘মেয়ের গায়ে হাত দিয়েছে’, ‘ক্যানটিনে এই ঘটনা ঘটে’, ‘মা-বোন নাই’। এ সময় এক পথচারী মারধরের শিকার যুবকের কাছে গিয়ে সেখানে উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্যকে দেখিয়ে ব্যক্তিটিকে তাঁদের হাতে তুলে দিতে বলেন। একপর্যায়ে মারধরের শিকার ব্যক্তিকে বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে দেখা যায়। তাঁর মুঠোফোন নিয়ে এক পথচারী ও মারধর করা যুবক তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় উত্তেজিত যুবককে বলতে শোনা যায়, ‘কিসের সরি, সরি বললেই সব শেষ হয়ে যায়?’ এরপর তিনি ‘… তুই একটি মায়ের গায়ে হাত দিয়েছিস’ বলে ওই ব্যক্তিকে আবারও থাপ্পড় মারেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতের এ ঘটনা যখন ঘটছে, তখন কয়েক হাত দূরে দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আশপাশে ভিড় করা পথচারীদের মতো তাঁরাও ঘটনাটি দেখছিলেন। ফেসবুকে অনেকে এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একটি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘আহা-বাংলাদেশ! আহা স্বাধীনতা! আহা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনের শাসন! পুলিশের সামনেই দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে একজন বাবার বয়সী লোকের উপর মব সৃষ্টি করছে, অথচ পুলিশ দর্শকের মতো ভূমিকা নিয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে শুধু দেখছে?’ অন্য একটি পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, ‘উক্ত ব্যক্তির ভাগনির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা সত্ত্বেও পুলিশ কোনো আইনি সাহায্য না করায়, ভুক্তভোগী পরিবার শেষ পর্যন্ত এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই সংস্কৃতি আমাদের সমাজকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে?’ সম্রাট শাহাদত নামের একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে প্রকাশিত ভিডিওটি ৪৬ লাখ বার দেখা হয়েছে। এতে প্রতিক্রিয়া পড়েছে ৬৪ হাজার এবং ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ১১ হাজার বার। ওই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘একটা দেশ এভাবে চলতে পারে? পুলিশের কাছে সহযোগিতা না পেয়ে পরিস্থিতির শিকার হয়ে ক্ষমতা হাতে নিয়ে বাপের বয়সী লোকের বিচার করা হচ্ছে!’ এরপর লেখা হয়েছে, ‘বিঃদ্রঃ ভাগনিকে ব্যাড আচরণ করায় মামা পুলিশের অসহযোগিতা পেয়ে এমন বিচার করতে বাধ্য।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী তরুণী মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, লোকটি তাকে ‘ব্যাড টাচ’ (খারাপ স্পর্শ) করেছে। ঘটনাটির পর ওই ব্যক্তিকে ধরে কর্তব্যরত দুই পুলিশ সদস্যের কাছে নিয়ে গেলে তাঁরা লোকটিকে নিতে অনাগ্রহ দেখিয়ে তাঁকেই ধানমন্ডি নিয়ে মামলা করতে বলেন। লোকটির কাছে এমন আচরণের কারণ জানতে চাইলে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করে ‘সরি’ বলেছিলেন। পরে মামাকে ফোন করলে তিনি এসে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকটিকে মারধর করেন। এরপর পুলিশ এসে লোকটিকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়। আজ যোগাযোগ করা হলে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মামুন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন দিলে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এরপর শহীদ আবদুল্লাহকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, তরুণীর শরীর স্পর্শ করার ঘটনায় ডিএমপির রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ অভিযুক্ত শহীদ আবদুল্লাহকে এক মাসের সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়েছেন। শহীদ আবদুল্লাহ তরুণীকে শ্লীলতাহানির কথা স্বীকার করায় তাঁকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদ জানিয়েছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্য নীরব দর্শকের ভূমিকা কেন পালন করলেন—এ প্রশ্নের জবাবে ওসি ইমাদুল বলেন, উত্তেজিত জনতার মারমুখী আচরণের কারণে পুলিশ শহীদ আবদুল্লাহকে রক্ষা করতে এগিয়ে যেতে সাহস পায়নি। ঘটনাস্থলে তাদের ডিউটি ছিল। তবে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করে যুবকটি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ করেছেন। তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। আর ঘটনাস্থলে থাকা দুই পুলিশ সদস্যের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। পুলিশ কর্মকর্তা ইমদাদুল বলেন, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি মানসিক রোগী। তিনি এমবিবিএস পড়ার সময় মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। তাঁর বিয়ে হয়েছিল। তবে অনেক আগেই স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন ভাইরাল ভিডিওমারধরঅপরাধ
