প্রেম করে বিয়ে, হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী

AI-classifiedconfidence 96%

Why this classification

The article reports a concrete murder of a woman by her husband within the last 14 days in Bangladesh, meeting the violence definition. Therefore it is classified as a gender‑based violent incident.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
18/06/26•Malghar Bazar, 6 No. Ward

Killed

1

Injured

0

Summary

১৮ জুন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজারে ১৯ বছর বয়সী খাদিজা আক্তার কাশফি গৃহহত্যা করা হয়; তার স্বামী মোহাম্মদ মারুফ লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

96% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মোহাম্মদ মারুফখাদিজা আক্তার কাশফিআবদুল জলিলডা. উপমা চৌধুরীমো. জুনায়েত চৌধুরী

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 18/06/26open original ↗

নিখোঁজের ২ দিন পর জায়ানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ২ দিন পর জায়ানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার জায়ান পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬ | ১১:০০ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ | ১১:০৩ চট্টগ্রামের পটিয়ায় নিখোঁজ শিশু জায়ানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে পটিয়ার দক্ষিণ গোবিন্দারখীল গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার পরিত্যাক্ত জায়গা থেকে ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন- মো. সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা। তাদের বসতঘরের পেছন থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে নিখোঁজ শিশু জায়ানের ঘরে হাতে লেখা এ চিঠি পাওয়া যায়। তাতে বলা ছিল, ‘তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে, ছেলেকে পেতে চাইলে যেটা বলছি সেটা শোন…আধা ঘণ্টার ভেতর ৩ লাখ টাকা আর তোর ফ্যামিলির যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটা ব্যাগে করে তোর বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে ভাঙা দোকানে রেখে দিবি।’ জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় জায়ান। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পটিয়া থানায় জিডি করে পরিবার। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চিঠিটি আলামত হিসেবে সংগ্রহ করে অভিযান শুরু করে। স্বজনদের অভিযোগ, টাকার জন্য শিশুটিকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছিল। পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, ‘ভোরে পরিত্যাক্ত জায়গা থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ - বিষয় : - চট্টগ্রাম - নিখোঁজ - মরদেহ উদ্ধার - পটিয়া

Source 2: Jugantor · 19/06/26open original ↗

প্রেম করে বিয়ে, হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী

প্রেম করে বিয়ে, হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী Advertisement কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:০৩ পিএম ঘর থেকে পালিয়ে পরিবারের অজান্তে ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করেছিলেন খাদিজা আক্তার কাশফি (১৯); কিন্তু বিয়ের মাত্র সাত মাসের মাথায় সেই স্বামীর বাড়ির লোকজনের নির্যাতনে প্রাণ হারাতে হলো তাকে। শুধু তাই নয়, লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখেই কৌশলে পালিয়ে গেছেন স্বামী মোহাম্মদ মারুফ (১৮)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজার এলাকার (৬ নম্বর ওয়ার্ড) সৈয়দ মোল্লার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন। নিহত খাদিজা আক্তার কাশফি স্থানীয় আবদুল জলিলের মেয়ে। তিনি তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামী মারুফ একই এলাকার আবদুস সালামের ছেলে। আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে কাশফিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী মারুফ। সেখানে চিকিৎসক কাশফিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করার পরপরই, লাশ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালায় মারুফ। চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী বলেন, নিহত ওই নারীর গলায় একটি মোটা দাগ রয়েছে। নিহত খাদিজার বাবা আব্দুল জলিল বলেন, ডিসেম্বরে আমাদের পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে। আমার মেয়ের বয়সও কম। বিয়ের পর থেকেই ওর স্বামী খুব নির্যাতন করে আসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে আমার মেয়ের সঙ্গে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঝগড়া করেছে বলে খবরও পেয়েছি আমরা; কিন্তু এভাবে মেরে ফেলবে সেটা বুঝতে পারিনি। আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে এক গৃহবধূর লাশ ফেলে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায়। নিহত গৃহবধূর গলায় দাগ রয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।