কই গেছিলি বলতেই পেটে ঢুকিয়ে দেয় ছুরি, মারা গেলেন যুবক
Why this classification
A man was stabbed in the stomach with a knife during a verbal argument in Durgapur, Netrokona, on the night of 2 May 2026, and he later died at Mymensingh Medical College Hospital. Police arrested the accused, recovered the weapon, and filed a case, so this is a concrete, recent, fatal attack.
Killed
1
Injured
0
Summary
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় ২ মে (শনিবার) রাত ১১টার দিকে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসের পেটে ছুরিকাঘাত করেন। ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং পুলিশ ঘাতককে গ্রেফতার করে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কই গেছিলি বলতেই পেটে ঢুকিয়ে দেয় ছুরি, মারা গেলেন যুবক
কই গেছিলি বলতেই পেটে ঢুকিয়ে দেয় ছুরি, মারা গেলেন যুবক Advertisement দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কই গেছিলি বলতেই পেটে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নামের এক যুবকের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেন নূর মোহাম্মদ। এতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নিহত হয়েছেন। শনিবার (২ মে) দিবাগত রাতে পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় এ ঘটনার ঘটে। নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১টায় তেরীবাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রেরণ করে। পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পুলিশ রাতেই দুর্গাপুরের বাসা থেকে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার ও তার ভগিনীপতি মাজেদুলকে গ্রেফতার করে। এরপর পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযান চালিয়ে ওই দিন ভোররাতে নেত্রকোনার শহরের মালনী এলাকা থেকে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে এবং এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে। ঘাতক নূর মোহাম্মদ তেরীবাজার এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে। নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বলেন, আমার স্বামী প্রস্রাব করতে বাসার সামনে বের হয়েছিল। এ সময় নূর মোহাম্মদ বাজার থেকে আসছিলেন। পরে আমার স্বামী তার কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করছিল কিরে কই গেছিলি। ওই সময় কাঁধে হাত দিলো কেন এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে কোমর থেকে ছুরি বের করে আমার স্বামীর পেটে ঢুকিয়ে দেয়। আমার স্বামী চিৎকার করলে আমরা ও আশপাশের মানুষ গিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাই; কিন্তু হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হলে পরে সেখানে নেওয়ার পথেই মারা যায়। এখন আমার দুই সন্তান এতিম হয়ে গেছে, আমি সাগরে পড়ে গেছি। আমি এই হত্যার বিচার চাই। দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মাহমুদা আক্তার ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে ঘটনার মূল হোতা নূর মোহাম্মদসহ ২ জনকে গ্রেফতার করি। অভিযুক্তদের আদালতে সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
