আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
Why this classification
This is a physical attack on police on 1 March 2026 in Sreepur, Gazipur, where relatives of arrested suspects beat officers, one constable's hand was bitten, and five police officers were injured. The suspects escaped while handcuffed and were re-arrested after a two-hour operation, so it is a concrete, recent violent incident rather than a simple arrest.
Killed
0
Injured
5
Summary
গাজীপুরের শ্রীপুরের নিজমাওনা গ্রামে অপহরণ মামলার আসামি মনির হোসেন ও আদেল হোসেনকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলা চালালে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং আসামিরা হাতকড়া অবস্থায় পালিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে ১ মার্চ ২০২৬ (রোববার) সন্ধ্যায়, পরে প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযানে পুলিশ তাদের আবার গ্রেপ্তার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫ ছবি-সমকাল গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ | ০৫:৩৬ অপহরণ আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামি মনির হোসেন ও তার ছেলে আদেল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বেশ কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নিজমাওনা গ্রামের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তারা। টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়ের করা ওই মামলায় আসামি বাবা ও ছেলেকে খুঁজছিল পুলিশ। আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রোববার সন্ধ্যার পর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নিজমাওনা গ্রামে হানা দেয় পুলিশ। শ্রীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তারও করে মনির ও আদেলকে। এরই মধ্যে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে হামলা চালায় পুলিশের ওপর। এক পর্যায়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় মনির ও আদেল পালিয়ে যায়। শ্রীপুর থানার এস আই তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আসামিদের গ্রেপ্তার করি। পরে শতাধিক লোক জড়ো হন। আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মারপিট করতে থাকে। কামরুল ইসলাম নামে এক কনস্টেবলের হাত কামড় দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে। তিনি বলেন, অতর্কিত এ হামলায় আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। খবর পেয়ে আশপাশের মানুষজন সেখানে ভিড় করেন। শ্রীপুর থানা থেকে ছুটে আসেন আরও পুলিশ সদস্য। সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) মেরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে হাজির হই। পরে প্রায় ২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে মনির ও তার ছেলে আদেলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করি। তিনি বলেন, পুলিশের কাজে বাঁধা ও আসামি ছিনতাই ও পুলিশকে মারপিটের ঘটনায় শ্রীপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
