যুবদল নেতার বাড়িতে নিয়ে বাবা-ছেলেকে বেঁধে নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article describes a concrete, recent violent incident where a father and son were tied to a tree and beaten with a wrench and rope over a dispute regarding local drug dealing. Specific injuries were sustained and documented, fitting the definition of violent crime within the valid timeframe and inside Bangladesh.

Reported by:SamakalSingle source
10/10/26•নকিপুর গ্রাম, শ্যামনগর

Killed

0

Injured

2

Summary

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদের জেরে এক কলেজ শিক্ষক ও তাঁর ছেলেকে যুবদল নেতার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছে স্থানীয় একটি চক্র। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর (উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব)মো. শামছুজ্জামান রানা (কলেজ প্রভাষক)সজীব হোসেন

Tags

Drug WarExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 11/10/26open original ↗

যুবদল নেতার বাড়িতে নিয়ে বাবা-ছেলেকে বেঁধে নির্যাতন

সাতক্ষীরা যুবদল নেতার বাড়িতে নিয়ে বাবা-ছেলেকে বেঁধে নির্যাতন নির্যাতরে আহত কলেজছাত্র। ছবি: সমকাল শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ২১:৩৪ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বাবা-ছেলেকে ডেকে নিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছে একটি চক্র। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নকিপুর গ্রামে অবস্থিত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন– কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের প্রভাষক মো. শামছুজ্জামান রানা ও তাঁর ছেলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সজীব হোসেন। তাদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, যুবদল নেতা আঙ্গুরের নেতৃত্বে তাঁর কথিত দেহরক্ষী আব্দুল্লাহ ও আলমগীর; সহযোগী আকিমউদ্দিন, আব্দুর রহমান রানা, রফিকুল ও আরিয়ান বাবা-ছেলের ওপর নির্যাতন চালায়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত কলেজ শিক্ষক সামছুজ্জামান রানার ভাই মো. আরিফুজ্জামান শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক। তিনি জানিয়েছেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। পরে ভাই-ভাতিজাকে উদ্ধার করেন। র্যা ঞ্চের আঘাতে তাঁর ভাতিজা সজীবের মাথা ফেটে গেছে। এ বিষয়ে তারা যুবদল নেতা আঙ্গুর, দুই দেহরক্ষীসহ নির্যাতনে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকির হোসেন জানিয়েছেন, সজীবের মাথায় তিনটি সেলাই পড়েছে। গলায় নির্যাতনের বড় চিহ্ন পেয়েছেন। চিকিৎসাধীন সামছুজ্জামান রানা বলেন, তাদের প্রতিবেশী রফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রহমান রানা এলাকায় মাদকদ্রব্য বিক্রিতে জড়িত। গত শুক্রবার রাত দুইটার দিকে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ১০-১২ জন সদস্যকে নিয়ে সে এলাকায় মাদকের আসর বসায়। তারা এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এর জেরে গতকাল শনিবার সকালে যুবদল নেতা আঙ্গুর তাঁর কথিত দেহরক্ষী আব্দুল্লাহ ও আলমগীরকে পাঠিয়ে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তাদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। এর একপর্যায়ে তাঁর ছেলে সজীব ও তাঁকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর ভাষ্য, এ সময় গামছা দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে তাদের মাথা ও মুখে পানি ঢালা হয়। এমনকি চিৎকার করায় রশি দিয়ে সজীবের গলা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে নির্যাতনকারীরা। বক্তব্যের জন্য উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুরের মোবাইল ফোন নম্বরে কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। তাঁর কথিত দেহরক্ষী আব্দুল্লাহ বলেন, ‘লিডারের বাড়িতে বসে উচ্চবাচ্য করার কারণে সামান্য শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের পক্ষে কেউ অবস্থান নিলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। - বিষয় : - সাতক্ষীরা