মাদক নিয়ে বিরোধ, যশোরে ১৪ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Jashore. Parties reported: Drug Syndicate, Criminal Gang. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ২৩ জুলাই রাতে যশোর শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দেশীয় অস্ত্রসহ সুমন মিয়া নামে একজনকে আটক করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
যশোরে ইজিবাইক চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
যশোরে ইজিবাইক চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা প্রতীকী ছবি যশোর অফিস প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৪৪ যশোরের অভয়নগরে ইজিবাইক চোর সন্দেহে ফারুক হোসেন (৩৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার নূরবাগ স্বাধীনতা চত্বর সংলগ্ন ইজিবাইক স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফারুক হোসেন কেশবপুর উপজেলার গহরভাঙা গ্রামের আনসার উদ্দিনের ছেলে। তিনি অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন গুয়াখোলা গ্রামে বাবা ও বোনকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ইজিবাইক স্ট্যান্ডের ভেতরে এক যুবককে পিটিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় একদল যুবক। খবর পেয়ে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। স্থানীয় গাড়িচালকরা জানান, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের বেড থেকে রাতের আঁধারে মোবাইল ফোন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন ফারুক। কয়েক দিন পর তিনি আবারও নওয়াপাড়া-মনিরামপুর রুটের টেকার স্ট্যান্ড থেকে মোবাইল ফোন চুরি করে পালিয়ে যান। পরে বউবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। গত সোমবার পায়রা বাজার থেকে ইজিবাইক চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন ফারুক। পরদিন মঙ্গলবার আবারও দুপুরে চুরি করতে গেলে স্থানীয়রা ধরে পিটুনি দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মরিয়ম মুনমুন বলেন, মৃত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের পর বলা সম্ভব হবে। স্বজন জানান, নিহত ফারুক কয়েক বছর আগেও নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন। মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ায় তার মধ্যে মোবাইল ফোন চুরির প্রবণতা বেড়ে যায়। পরবর্তী সময়ে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। নিহতের বোন তাসনিয়া তাসিন তিশা জানান, তার বড় ভাই ফারুক হোসেন মানসিক রোগী ছিলেন। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আমার ভাই কোনো অপরাধ করলে তাঁকে পুলিশে দিত। কিন্তু এভাবে কেন পিটিয়ে হত্যা করা হবে? অভয়নগর থানার ওসি এস এম নুরুজ্জামান বলেন, চোর সন্দেহে পিটিয়ে আহত করা এক যুবককে নূরবাগ ইজিবাইক স্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। - বিষয় : - যশোর - পিটিয়ে হত্যা
যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় রুবেল হোসেন (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। সোমবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার খাজুরা বাজার তেলপাম্প এলাকায় যশোর-মাগুরা মহাসড়কে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়। প্রায় আধঘণ্টাব্যাপী চলা এ কর্মসূচিতে নিহত রুবেলের প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে বিক্ষুদ্ধ জনতা তেলীধান্যপুড়ার বাসিন্দা রাব্বিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত দাবি করে তার বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্য আগুন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতা ও নেতাকর্মীরা রুবেল হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আটক ও শাস্তির দাবি জানান। এর আগে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করে। পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। রুবেল বন্দবিলা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পেশায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ডভ্যানের চালক ছিলেন। তিনি উপজেলার তেলীধান্যপুড়া গ্রামের মোনতাজ ঢালীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে রুবেল বাইরে থেকে কাভার্ডভ্যান চালিয়ে খাজুরায় আসেন। কাভার্ডভ্যানটি যশোর–মাগুরা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে খাজুরা তেলপাম্পে রেখে পাশের বাড়িতে যান। পরে সেখান থেকে হেঁটে তেলপাম্পের দিকে যাওয়ার সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে পৌঁছান। এ সময় রুবেলের পথরোধ করেন তার বোনের দেবর একই গ্রামের রাব্বিসহ (২২) তিন–চারজন। তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে রুবেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন রাব্বি। পরে রাব্বি সেখান থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরে বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। নিহত রুবেলের মা ফিরোজা বেগম আহাজারি করে বলেন, প্রায়ই স্থানীয় বখাটেদের নিয়ে রাব্বি তেলীধান্যপুড়া উলুমুল হাফেজিয়া কুরআন মাদ্রাসা মাঠে আড্ডা দিতেন। একদিন মাদ্রাসার হুজুর রাব্বিকে এখানে আড্ডা দিতে নিষেধ করেন। রাব্বি হুজুরের কথা নিষেধ না করে উল্টো হুজুরকে নানা আজেবাজে কথা বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে রুবেল রাব্বিকে চড় মারেন। সেই থেকে রাব্বি রুবেলের প্রতি ক্ষোভ জন্মায় ও প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিতেন। সেই প্রতিশোধ হিসেবে রাব্বি ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুবেল হোসেনের বুকে, পিঠে ও মুখে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত রুবেলের ভাই রাজিব হোসেন জানান, রুবেলকে মারতে রাব্বির সঙ্গে আরও দুই থেকে তিনটি মোটরসাইকেল এসেছিল। তাদেরও বয়স রুবেলের তরুণ। খাজুরা বাজার বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহজালাল আলম বলেন, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
মাদক নিয়ে বিরোধ, যশোরে ১৪ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
নিহত শরিফুল ইসলামছবি: সংগৃহীত যশোরে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলার এক আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় ১১টি মামলার আসামি তাঁর এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতু (৩৫)। তিনি যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। গতকাল বুধবার রাতে যশোর শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে শরিফুলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয় পুলিশ। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। শরিফুলের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা আছে বলে প্রথম আলোকে জানান যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১১টি মামলা আছে। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে দুর্বৃত্তরা শরিফুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় কয়েকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তাঁকে সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজী মাসুম রেজা প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় শরিফুলকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালে এনে মর্গে রাখা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মাদকনিহতযশোর সদরঅপরাধযশোরখুলনা বিভাগহত্যা
