ফোনকল না ধরায় মাদ্রাসাশিক্ষককে হাতুড়িপেটা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

On 8 April 2026, a man identifying himself as a Chhatra Dal leader beat a madrasa teacher in Chitalmari, Bagerhat, and struck him with a hammer, leaving him seriously injured. The article describes a concrete, recent physical attack with a weapon, so it counts as violence.

Reported by:SamakalSingle source
08/04/26•বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, চিতলমারী

Killed

0

Injured

1

Summary

বাগেরহাটের চিতলমারীতে ৮ এপ্রিল বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ঢুকে ছাত্রদল/যুবদল পরিচয়ধারী রাসেল শেখ সহকারী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামকে মারধর করেন এবং হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত শিক্ষক গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এবং চিতলমারী থানায় মামলা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

রফিকুল ইসলাম (সহকারী অধ্যাপক, রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা)রাসেল শেখ (বড়বাড়িয়া গ্রাম, অভিযুক্ত)মাছুদুর রহমান (রফিকুল ইসলামের শ্বশুর, অভিযুক্ত রাসেলের অভিযোগে উল্লেখিত)মো. নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত ওসি, চিতলমারী থানা)

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 13/04/26open original ↗

ফোনকল না ধরায় মাদ্রাসাশিক্ষককে হাতুড়িপেটা

ফোনকল না ধরায় মাদ্রাসাশিক্ষককে হাতুড়িপেটা অভিযোগ চিতলমারীর যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাদ্রাসাশিক্ষক রফিকুল ইসলাম। ছবি: সমকাল গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:২৮ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:৩০ বাগেরহাটের চিতলমারীতে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে হাতুড়িপেটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৮ এপ্রিল উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় হামলার শিকার হন ওই মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম (৪৮)। তিনি বর্তমানে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে চিতলমারীর বড়বাড়িয়া গ্রামের রাসেল শেখ তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ রফিকুল ইসলামের। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৬ এপ্রিল রাতে অনলাইন ট্রেনিংয়ে থাকার সময় আমার মোবাইলে কল দেয় চিতলমারীর বড়বাড়িয়া গ্রামের রাসেল। তখন কলটি গ্রহণ করে ট্রেনিংয়ে আছি বলে কেটে দেই। ৭ এপ্রিল পুনরায় রাসেল কয়েকবার কল দিলে ব্যস্ততার কারণে কলটি গ্রহণ করতে পারিনি। পরদিন মাদ্রাসায় এসে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে রাসেল হুমকি দিয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।’ এ বিষয়ে তিনি চিতলমারী থানায় মামলা করেছেন। এর পরও রাসেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জানিয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ৮ এপ্রিল দুপুরের দিকে চিতলমারীর বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ঢুকে পড়েন একই গ্রামের রাসেল শেখ। তিনি হঠাৎই হুমকি দিয়ে রফিকুল ইসলামকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায় হাতুড়ি দিয়েও পেটান। এলাকাবাসী রফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে শুরুতে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাসেল শেখের দাবি, তিনি যুবদলের রাজনীতিতে জড়িত। তাঁর অভিযোগ, রফিকুল ইসলাম ও তাঁর শ্বশুর মাছুদুর রহমান মাদ্রাসায় চাকরি দেওয়ার নাম করে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছেন। অনেকদিন হয়ে গেলেও সেই টাকা ফেরত দেননি, আর চাকরিও হয়। ওই শিক্ষককে হাতুড়িপেটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপককে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। রাসেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এমন তথ্য পুলিশের কাছে নেই। - বিষয় : - বাগেরহাট - গোপালগঞ্জ - টুঙ্গিপাড়া