এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, specific incident in which a woman was lured, threatened with local weapons, and gang-raped by a group of men on 25 March in Alamdanga, Chuadanga. Six suspects, including the female planner, were arrested after the victim filed a case, and the attack falls within the 14-day window.

Reported by:Dhaka PostSingle source
25/03/26•আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠসংলগ্ন আমবাগান

Killed

0

Injured

0

Summary

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় গত ২৫ মার্চ রাতে এক নারীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি আমবাগানে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

কবিতা (৩০), চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাধীন সাতগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা, মূল পরিকল্পনাকারীআব্দুস সালাম, কবিতার খালাতো ভাইমিজান, খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাসামাদ আলী, খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাআদম আলী, খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাশাহজাহান, খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাভিকটিম (নারী), সাতগাড়ী এলাকার বাসিন্দা

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 28/03/26open original ↗

এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬

সারাদেশ চুয়াডাঙ্গা এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪৫ অ+ অ- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারী নারীসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিজ্ঞাপন শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাধীন সাতগাড়ী গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর গ্রামের মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং শিয়ালমারি গ্রামের আব্দুস সালাম। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন সাতগাড়ী এলাকার বাসিন্দা ওই নারীর (ভিকটিম) সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে কৌশলে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন একই এলাকার ফয়সালের স্ত্রী কবিতা (৩০)। গত ২৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কবিতা ভিকটিমকে ফুসলিয়ে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল তার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম। পরবর্তীতে আরেকটি ইজিবাইকে করে তারা চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের দিকে রওনা দেন। বিজ্ঞাপন পরে আলমডাঙ্গা থানার খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে ইজিবাইক চালককে বিদায় করে দেওয়া হয়। এরপর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দেশীয় অস্ত্রের মুখে ভিকটিমকে জিম্মি করে পাশের একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলীর সহযোগিতায় আদম আলী ও মিজান পালাক্রমে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এ সময় ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর একই রাতেই কবিতা ও ভিকটিমকে ইজিবাইকে করে পুনরায় চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নামিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামীর জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম পুরো ঘটনা খুলে বলেন। এরপর ২৮ মার্চ তিনি নিজেই বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই সংশ্লিষ্ট সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। শনিবার ভোর ৪টার দিকে আসামিদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিজ্ঞাপন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। ভিকটিম অভিযোগ দায়ের করার পরপরই আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিই। আমাদের দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন অভিযানের ফলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত ৬ আসামির সবাইকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। আফজালুল হক/এসএইচএ