বাকেরগঞ্জে দপ্তরির মারধরে হাসপাতালে অভিভাবক

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A school peon and several associates beat a guardian named Saleha Begum with sticks after an argument over tiffin for students, leaving her in serious condition in hospital. The article describes one specific, recent physical attack with one injured person and no deaths.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
15/03/26•দুধল ইউনিয়নের ৩৮নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রমজান মাসে টিফিন নিয়ে বিরোধের জেরে দপ্তরি শফিক মোল্লা ও তার সহযোগীরা অভিভাবক সালেহা বেগমকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত সালেহা বেগম শেবাচিম হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Shafiq Molla (school peon/দপ্তরি)Suma BegumSiraj MollaHazrat AliKuddus MollaSaleha Begum (injured guardian)Rasel Molla (victim's husband)

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 17/03/26open original ↗

ধর্ষণচেষ্টার পর শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা

ধর্ষণচেষ্টার পর শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ০৯:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ বরিশালের বাবুগঞ্জে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। শিশু রাইসা আক্তার বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নের দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামের দিনমজুর নজরুল হাওলাদারের মেয়ে। অভিযুক্ত বখাটে কিশোর সিফাত সিকদার (১৫) একই গ্রাম দক্ষিণ রাকুদিয়া এলাকার জালাল সিকদারের ছেলে। রাইসার পরিবারের অভিযোগ, সিফাত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। সে রাইসাকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করত। রাইসা তাতে রাজি না হওয়ায় তার শরীরে আগুন দেয় সিফাত। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর রাইসার মৃত্যু হয়।  মৃত্যুর আগে শিশু রাইসার দেওয়া জবানবন্দির একটি ভিডিও সমকালের হাতে এসেছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে খারাপ জিনিস কইছে, আমি রাজি হই নাই তাই সিফাত আমার গায়ে আগুন দিছে।’  গত রোববার দুপুরে রাইসাকে একা পেয়ে সিফাত তার পথরোধ করে। এ সময় তাকে টেনে নির্জন স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলে রাইসা চিৎকার শুরু করে। পরে সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাইসার শরীরে আগুন দেয়। ঘটনার সময় রাইসার চিৎকারে পাশের বাড়ির বাসিন্দা তসলিম বিষয়টি দেখে স্থানীয় লোকজনকে ডাক দেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রাইসাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে পাঠানো হয়। ঢাকার হাসপাতালে ভর্তির পর গতকাল সোমবার ভোরে রাইসার মৃত্যু হয়। ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম বলেন, রাইসার শরীরে থার্ড ডিগ্রি বার্ন হয়েছে। কাপড় পুড়ে চামড়ার সঙ্গে লেগে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা কম থাকে। তারপরও ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা গেলে কিছুটা আশা ছিল। বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিদগ্ধ হয়ে রাইসার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রাইসা হত্যার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অভিযুক্ত সিফাত সিকদার পলাতক। - বিষয় : - হত্যা

Source 2: Jugantor · 15/03/26open original ↗

বাকেরগঞ্জে দপ্তরির মারধরে হাসপাতালে অভিভাবক

স্কুলের টিফিন নিয়ে দ্বন্দ্ব বাকেরগঞ্জে দপ্তরির মারধরে হাসপাতালে অভিভাবক Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশালের বাকেরগঞ্জে রমজান মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিফিনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারী অভিভাবককে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। উপজেলার দুধল ইউনিয়নের ৩৮নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও তার সহযোগীদের হামলায় আহত সালেহা বেগম নামে ওই নারী বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক রমজান মাসে টিফিন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে স্কুলটির দপ্তরি শফিক মোল্লার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। পরে এ ঘটনার জেরে শফিক মোল্লার নেতৃত্বে সুমা বেগম, সিরাজ মোল্লা, হযরত আলী, কুদ্দুস মোল্লাসহ কয়েকজন মিলে লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। আহত সালেহা বেগমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর স্বামী রাসেল মোল্লা অভিযোগ করেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আমার স্ত্রীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষায় অভিযুক্ত দপ্তরির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।