কৃষকের জামা ছিঁড়ে বেঁধে রাখল পুলিশ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Police forcibly evicted a farmers' market, tore a farmer's shirt, beat him, handcuffed him and tied him to a police truck for about 30 minutes. This is a physical assault by law enforcement on a civilian, not a simple arrest, and it happened on 9 October 2026, within the 14-day window.

Reported by:JugantorAjker PatrikaProthom AloCorroborated · 3 sources
09/10/26•Eskaton Garden (Ramna Thana area)

Killed

0

Injured

1

Summary

৯ অক্টোবর ২০২৬ (শুক্রবার) সকালে রমনা থানা পুলিশ ইস্কাটন গার্ডেনের কৃষকের বাজার উচ্ছেদ করে। এ সময় কৃষক মো. সোহরাব হোসেনের জামা ছিঁড়ে, মারধর করে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট পুলিশের ট্রাকের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

Md. Sohrab Hossain (farmer)Ramna Thana OC Md. Yasin MiahUnnamed police personnel from Ramna Thana

Affected infrastructure

Farmers' market stallsVegetables and goods of vendors

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 09/10/26open original ↗

প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে এনটিসি

ঢাকায় প্রতিবাদে পুলিশের লাঠিপেটা, আহত ৮। মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ দেশের হাতেই থাকবে: সরকার চট্টগ্রামে শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাপক বিক্ষোভ।

Source 2: Jugantor · 10/10/26open original ↗

কৃষকের জামা ছিঁড়ে বেঁধে রাখল পুলিশ

ইস্কাটনে শুক্রবারের বাজার উচ্ছেদ কৃষকের জামা ছিঁড়ে বেঁধে রাখল পুলিশ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর রমনা থানাধীন ইস্কাটন গার্ডেন এলাকায় ফুটপাতে প্রতি শুক্রবার সকালে বসে ‘কৃষকের বাজার’। প্রায় ১০টি স্টল বা দোকানে নিজেদের খামারের তাজা সবজি বিক্রি করেন সাভার থেকে আসা কিছু কৃষক। স্থানীয় বাসিন্দারা নিয়মিত সেখান থেকে কেনাকাটা করেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রায় চার বছর আগে সিটি করপোরেশন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা এবং উদ্যোগে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই এই বাজারের উদ্বোধন করা হয়েছিল। সাভারের হেমায়েতপুরের এসব কৃষক নিজেদের জমিতে ফলানো শাকসবজি নিয়ে প্রতি শুক্রবার ভোরে এখানে এসে দোকান বসাতেন। তবে হঠাৎ গতকাল শুক্রবার সকালে রমনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাজারটি উচ্ছেদ করে। এ সময় মো. সোহরাব হোসেন নামের এক কৃষককে লাঞ্ছিত করা হয়। তার জামা ছিঁড়ে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের ট্রাকের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা দোকান উচ্ছেদের পর সবাইকে রমনা থানার ওসির সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দেন। দোকানিদের অভিযোগ, ‘মূলত চাঁদা না পেয়েই পুলিশ এই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে।’ জানতে চাইলে রমনা থানার ওসি মো. ইয়াসিন মিয়া কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কেন উচ্ছেদ করা হলো, তারও কোনো উত্তর ছিল না তার কাছে। ওসি বলেন, এখানে যে বাজার বসে তা আমাদের জানা ছিল না। সরকারি অনুমোদনের বিষয়টিও জানা নেই। রাস্তা পরিষ্কার ও যানজটমুক্ত রাখতেই এই উচ্ছেদ। এক কৃষককে হাতকড়া পরিয়ে বেঁধে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই, খোঁজ নিচ্ছি। তবে উচ্ছেদ নিয়ে ওসির এমন সরল বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইস্কাটন গার্ডেনে এই রাস্তার এক পাশে প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত অসংখ্য ফাস্ট ফুডের দোকান বসে। অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে বিভিন্ন মহল মোটা অঙ্কের চাঁদাও নিয়ে থাকে। কৃষকের বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার সকালে পুলিশ এসে হঠাৎ ১০ মিনিটের মধ্যে দোকান গুটিয়ে চলে যেতে বলে। দোকানিরা সিটি করপোরেশন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈধ কাগজপত্র দেখালেও পুলিশ তা গ্রাহ্য করেনি। সোহরাব নামের এক কৃষক দোকান সরাতে ৫ মিনিট দেরি করায় তাকে মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। ভুক্তভোগী কৃষক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, পুলিশ এসে দোকান তুলে নিতে বলে। আমাদের দোকানে দুজন ছিলাম। একজন জিনিসপত্র গোছাচ্ছিল আর আমি এক ক্রেতাকে কাঁচামরিচ মেপে দিচ্ছিলাম। দোকান সরাতে সামান্য দেরি হওয়ায় এক পুলিশ সদস্য আমার জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশের ট্রাকের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট আটকে রাখার পর আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এখানকার ১০ জন দোকানির মধ্যে ৯ জনের বাড়িই সাভারের হেমায়েতপুরে। চার বছর ধরে নিয়মিত শুক্রবার সকালে তারা এখানে সবজি বিক্রি করছেন। সিটি করপোরেশনই তাদের এখানে বসিয়েছিল এবং এর আগে কখনও কোনো সমস্যা হয়নি। আগে কেউ চাঁদা বা টাকা দাবি করত না, কিন্তু এখন টাকা দিয়েও শান্তিতে ব্যবসা করা যাচ্ছে না। উচ্ছেদের কারণে তাদের বিপুল পরিমাণ মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন। বাজারটি কীভাবে শুরু হয়েছিল জানতে চাইলে আরেক দোকানি জানান, চার বছর আগে কৃষি মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে এই বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও এই বাজার নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও বলেন, আমরা চার বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। কেনাবেচা শেষে ফুটপাতে যে ময়লা-আবর্জনা জমে, তা সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা পরিষ্কার করেন এবং এর জন্য আমরা প্রতি দোকান থেকে ২০ টাকা করে দিই। আমাদের কাছে কৃষক কার্ডসহ প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র আছে। পুলিশকে সেসব দেখালেও তারা শোনেনি। এই হঠাৎ উচ্ছেদের কারণে প্রতি দোকানে অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। দোকানিদের দাবি, সরকার যেন বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে তাদের পুনরায় ফুটপাতে সবজি বিক্রির সুযোগ করে দেয়।

Source 3: Prothom Alo · 10/10/26open original ↗

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে দুটি ককটেল নিক্ষেপ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরাছবি: পুলিশের সৌজন্যে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়েছে। অন্যটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। একটি ককটেল নিষ্ক্রিয় করেছে ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান আজ শনিবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে এসে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তাঁরা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে সেখান থেকে চলে যান। ওই দুই আরোহী আগারগাঁও হয়ে কাফরুল সড়কের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। ইবনে মিজান আরও বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশের দল মাঠে নামে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ চলছে। গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজধানী থেকে আরও পড়ুন পুলিশঢাকাককটেল হামলা