কালিয়াকৈরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট
Why this classification
This is a single, specific incident from 11 April 2026 in which 25 to 30 armed men with machetes, axes and sticks attacked a house in Kaliakair, Gazipur. They smashed furniture and looted about 7 to 8 lakh taka and 15 to 17 bhori of gold. The attackers left their weapons behind and fled when locals gathered.
Killed
0
Injured
0
Summary
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নে ১১ এপ্রিল (শনিবার) সন্ধ্যায় ২৫-৩০ জন রামদা, কুড়াল ও লাঠি নিয়ে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদ হোসেন তুলার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং নগদ ৭-৮ লাখ টাকা ও ১৫-১৭ ভরি স্বর্ণ লুট করে। জিয়া মঞ্চের তুষার ইমরানের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন এবং বিএনপি এর দায় নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ভালোবেসে ঘর ছেড়েছিল মেয়েটি, ফিরল লাশ হয়ে
গাজীপুর ভালোবেসে ঘর ছেড়েছিল মেয়েটি, ফিরল লাশ হয়ে গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৩৬ পুতুল খেলার বয়স ফুরানোর আগেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ঝর্ণা আক্তার। বাবা-মায়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বছর দুই আগে প্রেমিক অপু আহমেদের হাত ধরে চলে যায় ঝর্ণা। সংসার পাতেন অপু-ঝর্ণা। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর। বিয়ের পর বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ওই কিশোরী। কিন্তু ভালোবাসার সংসারে হঠাৎ করে লাগে অশান্তির আগুন। স্বামী অপুর হাতে প্রাণ যায় ঝর্ণার। গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালার জঙ্গলাপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে ঝর্ণার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই এলাকার মাসুদ রানার ভাড়াবাড়িতে বাস করত এই দম্পতি। ঘটনার পরপরই স্বামী অপু আহমেদ পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, ঝর্ণা আক্তার শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা এলাকার হামিদুল ইসলামের মেয়ে। তাঁর স্বামী অপু শ্রীপুর পৌরসভার আসপাডা এলাকার হযরত আলীর পালিত ছেলে। পুলিশ তাঁর বাবা হযরত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। অপু পেশায় মাওনা-জয়দেবপুর সড়কে চলাচলকারী তাকওয়া (মিনি) পরিবহনের বাসচালক। নিহত ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম জানান, দুই বছর আগে পরিবারের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বাসচালক অপুকে বিয়ে করে ঝর্ণা। এরপর থেকে মেয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না। বিয়ের পর মেয়ে ঝর্ণা তাঁর স্বামী অপুকে নিয়ে বাড়ির পাশেই বেড়াইদেরচালা জঙ্গলাপাড়া এলাকার মাসুদ রানার বাড়িতে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকে। বাড়ির মালিক মাসুদ রানার স্ত্রী লাভলী আক্তার বলেন, অপু নিজেই প্রতিবেশী তানিয়াকে ফোন করে ঝর্ণার মৃত্যুর বিষয়টি জানায়। একই সঙ্গে লাশ উদ্ধারের অনুরোধ করে। পরে তানিয়া তাৎক্ষণিক বাড়ির মালিককে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে। শ্রীপুর থানার ওসি নাছির আহমদ জানান, সুরতহাল রিপোর্টে মরদেহের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে বা বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে লাশ ঘরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে গেছে ঘাতক। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় রোববার বিকেলে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম। - বিষয় : - গাজীপুর
কালিয়াকৈরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট
কালিয়াকৈরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট Advertisement কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন তুলার বাড়িতে এ হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় ২৫ থেকে ৩০ জন লোক রামদা, কুড়াল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় এমদাদের স্ত্রী নার্গিস বেগম ও দুই পুত্রবধূ পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে। হামলায় নগদ সাত থেকে আট লাখ টাকা এবং প্রায় ১৬ থেকে ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকার ও স্থানীয় মাদ্রাসার মসজিদ থেকে মাইকিং করা হলে স্থানীয়রা জড়ো হতে শুরু করে। পরে হামলাকারীরা সঙ্গে আনা অস্ত্র ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, মধ্যপাড়া ইউনিয়নের জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক তুষার ইমরানের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে। তবে জিয়া মঞ্চের নাম ব্যবহার করে এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা। এমদাদের ছেলে তরুণ বলেন, তুষার ইমরানের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল বাড়িতে ঢুকে নিচতলা ও দোতলার আটটি কক্ষে থাকা চারটি আলমারি ও আটটি ওয়ারড্রোব ভাঙচুর করে। নগদ সাত থেকে আট লাখ টাকা ও ১৫ থেকে ১৬ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। এ দিকে ঘটনার কিছুক্ষণ পরই মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্বাস হোসেন বলেন, জিয়া মঞ্চের নাম ব্যবহার করে তুষার বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। তার এমন কর্মকাণ্ডের দায় বিএনপি নেবে না। তাকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত তুষার আহম্মেদ বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কয়েকদিন আগে এমদাদ হোসেন তুলা মিয়ার দুই ছেলে ও তাদের সহযোগীরা আমার অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এখন তারা নিজেরাই নিজেদের বাড়ি ভাঙচুর করে আমার ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। কালিয়াকৈর উপজেলা জিয়া মঞ্চের সভাপতি রফিক মৃধা বলেন, জিয়া মঞ্চের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শামীম আক্তার বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, জিয়া মঞ্চ বিএনপির অঙ্গ সংগঠন নয়। তাদের কোনো অপকর্মের দায় বিএনপি নেবে না। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।
