গলায় ওড়না প্যাঁচানো নারীর পোশাকে ঝুলেছিল লাশ
Why this classification
A young man was found hanged from a tree, dressed in women's clothing with his face wrapped in several scarves, and his family suspects foul play rather than suicide. Because the death is suspicious and police have sent the body for post-mortem examination, it is treated as a possible murder, though no crime has been confirmed.
Killed
1
Injured
0
Summary
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ৬ মে ২০২৬ (বুধবার) সকালে চরমার্গারেট এলাকায় বাড়ির পাশের গাছে রিফাত গাজী নামের এক তরুণের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। নারীর পোশাক পরিহিত ও মুখে একাধিক ওড়না প্যাঁচানো লাশ ঘিরে স্বজনদের সন্দেহ রয়েছে, এবং পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
60% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গলায় ওড়না প্যাঁচানো নারীর পোশাকে ঝুলেছিল লাশ
রাঙ্গাবালীতে তরুণের মৃত্যু ঘিরে রহস্য গলায় ওড়না প্যাঁচানো নারীর পোশাকে ঝুলেছিল লাশ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাঙ্গাবালীতে মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে দোতলায় ঘুমাতে যাওয়া তরুণ রিফাত গাজীকে বুধবার সকালে বাড়ির পাশের গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরনে ছিল নারীদের পোশাক, নাক-মুখ প্যাঁচানো ছিল একাধিক ওড়না দিয়ে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। মৃত্যুর কারণ নিয়ে দেখা দিয়েছে রহস্য। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরমার্গারেট এলাকায়। মৃত রিফাত গাজী ওই এলাকার লিটন গাজীর ছেলে। তিনি নানাবাড়িতে থাকতেন এবং বাবার সঙ্গে মাঝেমধ্যে সাগরে মাছ ধরতে যেতেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ভাত খেয়ে নানাবাড়ির দোতলায় ঘুমাতে যান রিফাত। বুধবার সকালে সিঁড়ির নিচে তার জুতা দেখে স্বজনরা ধারণা করেন, তিনি ঘুমাচ্ছেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়িসংলগ্ন একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। স্বজনদের দাবি, লাশ উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল সালোয়ার-কামিজ। মুখমণ্ডল তিনটি ভিন্ন রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল এবং গলায়ও একটি ওড়না প্যাঁচানো ছিল, যেটি দিয়ে ফাঁস দেওয়া হয়। মাটিতে পড়ে ছিল তার ব্যবহৃত জিন্সের প্যান্ট। মৃতের বাবা লিটন গাজী বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে স্বাভাবিকভাবেই খেয়ে ঘুমিয়েছে ছেলে। সকালে দেখি মেয়েদের পোশাক পরা অবস্থায় লাশ। আমাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। কীভাবে কী হলো বুঝতে পারছি না। দেখা যায় আত্মহত্যা, কিন্তু পরনে যে মেয়েদের পোশাক-সেখানেই সন্দেহ।’ খবর পেয়ে দুপুরে চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বেলাল হোসাইন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
