কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

প্রতিবেদনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা রাজনৈতিক সহিংসতা। ঘটনাটি ৫ অক্টোবর ২০২৬, রেফারেন্স তারিখের ১৪ দিনের মধ্যে।

Reported by:Dhaka PostProthom AloAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
05/10/26•KC College Campus

Killed

0

Injured

0

Summary

গত ৫ অক্টোবর ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে দুই পক্ষ; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ কর্তৃপক্ষ সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

BNPJamaat

Other actors

Mahbub Islam (Shibir president)Babar Ali Mahfuz (Chhatra Dal president)Professor Masrur Ul Alam (principal)

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 07/10/26open original ↗

কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ

ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আজ বুধবার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার অনুষ্ঠিত কলেজের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে ছাত্রদল ও শিবির। এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে কেসি কলেজ ক্যাম্পাসে শিবিরের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ছিল। কলেজ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করায় ওই অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।কেসি কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি মাহবুব ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে শিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। এ জন্য অতিথিদের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে। সোমবার ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলার পর কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি। অনুমতি দিলে অনুষ্ঠান হবে, না দিলে হবে না। অন্যদিকে কেসি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ বলেন, শিবিরের এক কর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। তাঁরা শিবির নেতাদের পোস্টটি মুছে ফেলতে বলেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বসে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে।সভাপতি আরও বলেন, শিবির কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারা অনুষ্ঠান করবে কি না, সেটি তাদের বিষয়। এ নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। শিবিরের যে ঝামেলা হয়েছে, সেটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়। বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে তাঁর মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Source 2: Dhaka Post · 08/10/26open original ↗

কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম

ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার অনুষ্ঠিত কলেজের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কেসি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ছিল। তবে কলেজ ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করায় অনুষ্ঠানটি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কেসি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহবুব ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে কলেজ ক্যাম্পাসে শিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে অতিথিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। প্রশাসন অনুমতি দিলে অনুষ্ঠান হবে, অনুমতি না দিলে হবে না। কেসি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ বলেন, শিবিরের এক কর্মী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন বলে তারা জানতে পারেন। পরে শিবির নেতৃবৃন্দকে পোস্টটি মুছে ফেলতে বলা হলে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়। তিনি আরও বলেন, শিবির কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারা অনুষ্ঠান করবে কি না, সেটি তাদের বিষয়। এ নিয়ে ছাত্রদলের কোনো আপত্তি নেই। তাদের সঙ্গে যে ঝামেলা হয়েছে, সেটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়। বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সম্রাট হোসেন/এমএমবি

Source 3: Prothom Alo · 08/10/26open original ↗

ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের উত্তেজনা, ঝিনাইদহের কেসি কলেজে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ

ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভিড়। গতকাল দুপুরে তোলাছবি: প্রথম আলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার পর ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে আজ বৃহস্পতিবার পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৮ অক্টোবর (আজ) সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৫ অক্টোবর দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এদিকে আজ সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ছিল। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করায় অনুষ্ঠানটি সেখানে হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৫ অক্টোবর দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। তবে অনুষ্ঠানটি কলেজে না করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান কেসি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহরিয়ার মাহবুব ইসলাম। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল। এ জন্য অতিথিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫ অক্টোবর ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলা হয়। এ ঘটনা নিয়ে কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। শাখা ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক কর্মী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তাঁরা ছাত্রশিবিরের নেতাদের পোস্টটি মুছে ফেলতে বলার পর বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ বিষয়ে জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ঝিনাইদহ সদরছাত্রদলছাত্র রাজনীতিঝিনাইদহখুলনা বিভাগছাত্রশিবির