বগুড়ায় ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ইমামকে গণপিটুনি
Why this classification
প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে: ২৫ জুন বগুড়ায় ইমামকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এলাকাবাসী গণপিটুনি দেয়। এটি একটি সহিংস ঘটনা, তাই is_violence সত্য।
Killed
0
Injured
1
Summary
বগুড়া মহানগরীর সবুজবাগ এলাকায় মসজিদের ইমাম আবদুল আলিমকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এলাকাবাসী গণপিটুনি দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিতে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬ | ১৮:২৩ বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে মানুষ। অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিতে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটে জনভোগান্তি দেখা দেয়। অভিযুক্ত ইদ্রিস আলীর বাড়ি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার হলুদ বিহার এলাকায়। তিনি ব্র্যাকের দুপচাঁচিয়া শাখার সাবেক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, বর্তমানে ধাপ-সুখানগাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকার ধাপ-সুখানগাড়ী মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী নিয়মিত পড়াশোনার জন্য স্থানীয় এক গৃহশিক্ষিকার কাছে যেত। ঘটনার দিন গৃহশিক্ষিকা বাড়িতে ছিলেন না। এ সুযোগে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া ইদ্রিস আলী (৬০) শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঘটনার পরপরই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রাতে থানায় মামলা করেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত ইদ্রিস আলীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে থানায় অবস্থান নেন। তারা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় এলাকায় জড়ো হন এবং বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা অভিযুক্ত ইদ্রিস আলীর দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন। এ সময় পুলিশ এসে বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজমিলুর রহমান জানান, ‘ঘটনার পরই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। দ্রুত বিচার আইনে তার শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’ - বিষয় : - বগুড়া
শিশুকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি
বগুড়া শহরের বেলতলা এলাকায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল আলিম নামের এক মাদরাসাশিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে আটকে রাখেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভের মুখে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত আব্দুল আলিম শহরের মালগ্রাম এলাকার বেলতলা জামে মসজিদের ইমাম এবং জামিয়া ইসলামিয়া আল আকাবা মাদরাসার শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি আব্দুল আলিমের মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে মাদরাসা ছুটি হওয়ার পর পরিবারের কেউ শিশুটিকে নিতে আসেনি। এই সুযোগে শিক্ষক আব্দুল আলিম শিশুটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিজের সঙ্গে নিয়ে যান। পথের মধ্যে একটি গলির ভেতর শিশুটিকে প্রথম দফায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন তিনি। পরে শিশুটিকে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখান। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এতে স্থানীয় এলাকাবাসী চরম বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আলিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকে বাধা দেয় এবং আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে পুনরায় গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন। বগুড়া সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আব্দুল মোমিন/এসএইচএ
বগুড়ায় ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ইমামকে গণপিটুনি
বগুড়ায় ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ইমামকে গণপিটুনি Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবদুল আলিম নামে মসজিদের এক ইমামকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মহানগরীর সবুজবাগ এলাকায় ইমামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত আবদুল আলিম সবুজবাগ বেলতলা জামে মসজিদের ইমাম ও জামিয়া ইসলামিয়া আল আকাবা মাদ্রাসার শিক্ষক। শিশুটি ওই মাদ্রাসায় পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে মাদ্রাসা ছুটি হলেও পরিবারের কেউ শিশুটিকে আনতে যায়নি। এ সময় শিক্ষক আবদুল আলিম তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমনকি বিষয়টি কাউকে না জানাতে তাকে ভয়ভীতিও দেখান। শিশুটি পরিবারের কাছে ফিরে ঘটনা খুলে বললে স্বজনসহ এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন বিকালে ইমামের বাড়ি ঘেরাও করে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ আবদুল আলিমকে আটক করে থানায় নিতে চায়। তখন বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ ইমামকে বেধড়ক মারধর করে এবং পুলিশের কাছে থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও লাঞ্ছিত হন। বগুড়া সদর থানার ইনস্পেকটর (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল আলিমকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। মামলা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
