মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ, পরে আটক ৩

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি সহিংসতার সংজ্ঞা পূরণ করে কারণ এতে গ্রাম পুলিশ সদস্যকে মারধর, হত্যার হুমকি এবং পুলিশের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এটি একটি সাম্প্রতিক ঘটনা (গতকাল রাত) এবং বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় সংঘটিত হয়েছে।

Reported by:Prothom AloDhaka PostCorroborated · 2 sources
04/10/26•হাজরাকাটি গ্রাম, খলিলনগর ইউনিয়ন, তালা উপজেলা

Killed

0

Injured

1

Summary

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় গ্রাম পুলিশ সদস্য সোহেল শেখকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় পুলিশ অভিযানে গেলে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ৪ অক্টোবর রাতে ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

সোহেল শেখ (গ্রাম পুলিশ)ফারুক বিশ্বাসরফিকুল বিশ্বাসরাশেদ খাঁবিল্লাল বিশ্বাসহজরত সরদারআবু বক্কর সিদ্দিক (ওসি, তালা থানা)

Tags

AssaultObstruction of JusticeDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 15/10/26open original ↗

মাকে মাদকাসক্ত ছেলের মারধর, বাধা দেওয়ায় চাচিকে কুপিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাকে মারধরে বাধা দিতে গিয়ে ভাতিজার কোপে নিহত হয়েছেন সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামে এক নারী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। ঘটনার পর অভিযুক্ত ভাতিজা রমেশ মন্ডলকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শ্যামনগর উপজেলার পারবাধঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মণ্ডলের স্ত্রী। আহত দুজন হলেন- অভিযুক্ত রমেশ মণ্ডলের মা কমলা রানী মন্ডল এবং নিহতের ছেলে সমীর কুমার মন্ডল। তাদের মধ্যে সমীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কমলা রানী শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আহত কমলা রানী মণ্ডলের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তার ছেলে রমেশ মাদকাসক্ত। মাদক কেনার জন্য তিনি প্রায়ই মায়ের কাছে টাকা চাইতেন। বুধবার রাতে এক হাজার টাকা চাইলে দিতে পারেননি কমলা রানী। বৃহস্পতিবার সকালে আবারও টাকা চাইলে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রমেশ দা দিয়ে মাকে কোপানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে রমেশ তার চাচি সুধা রানী ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডলকে এলোপাতাড়ি কোপান। পরে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক সুধা রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সমীরকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত ভাতিজা রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে। ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ইব্রাহিম খলিল/এসএইচএ

Source 2: Prothom Alo · 05/10/26open original ↗

মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ, পরে আটক ৩

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় পুলিশের অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে মানুষের জটলা। গতকাল রাতে উপজেলার হাজরাকাটি এলাকায়ছবি: সংগৃহীত সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের কাজে বাধা ও পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল রোববার রাত নয়টার দিকে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক তিনজন হলেন হাজরাকাটি গ্রামের ফারুক বিশ্বাস, রফিকুল বিশ্বাস ও রাশেদ খাঁ। গ্রাম পুলিশ সোহেল শেখের অভিযোগ, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে পুলিশকে সহযোগিতা করায় স্থানীয় কয়েকজন তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। ৩ অক্টোবর রাত নয়টার দিকে হাজরাকাটি বাজারে নজরুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে বিল্লাল বিশ্বাস, ফারুক বিশ্বাস ও হজরত সরদার তাঁকে গালিগালাজ ও মারধর করেন। এ সময় তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ওই রাতেই তালা থানায় করা সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) সোহেল শেখ উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মাদক সেবনের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দেওয়ায় তাঁরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। মারধরে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। সোহেল শেখ আজ সোমবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় একই বাজারের একটি চায়ের দোকান থেকে পানি খেয়ে বের হওয়ার সময় তাঁকে গালিগালাজ করেন হজরত সরদার এবং টি-শার্টের কলার ধরে মারতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে সোহেলকে দোকানের ভেতরে আটকে রাখা হয়। তখন তিনি থানায় খবর দেন। সোহেল শেখের ভাষ্য, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হজরত সরদার ও ফারুক বিশ্বাসকে আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের সঙ্গীরা বাধা দেন এবং পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। একপর্যায়ে হজরত সরদার সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করেন। পুলিশের কাজে সরাসরি বাধা দিয়ে পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেনি। তবে কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে সেখানে ত্রাসের সৃষ্টি করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁরা জড়ো হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আবু বক্কর সিদ্দিক, তালা থানার ওসি তালা থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের কাজে সরাসরি বাধা দিয়ে পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেনি। তবে কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে সেখানে ত্রাসের সৃষ্টি করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁরা জড়ো হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সোহেল শেখকে মারধরের অভিযোগের সঙ্গে গতকাল রাতের অভিযানের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন ওসি। তিনি বলেন, ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। তবে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল রাতে অভিযান চালানো হয়নি। এটি আলাদা একটি অভিযান। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন তালামাদকসাতক্ষীরাপুলিশমারধরঅভিযানখুলনা বিভাগ