ছবি তোলা নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু
Why this classification
A group of youths attacked a 17-year-old student with local weapons, tried to drown him in a waterlogged field, and he died from his injuries after several days on life support. The attack happened on 29 May 2026, within the 14-day window, and the case has been converted into a murder case.
Killed
1
Injured
0
Summary
শেরপুরের তাতালপুর মহল্লায় ২৯ মে ছবি তোলা নিয়ে বিবাদের জেরে নাঈম, পাপ্পু, স্বপন ও আরমানসহ একদল কিশোর-যুবক ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আল মুহতাছিম সাইবকে দেশীয় অস্ত্রে পিটিয়ে পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে কয়েক দিন থাকার পর ৮ জুন তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছবি তোলা নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি তোলা নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু Advertisement শেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম আল মুহতাছিম সাইব শেরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আল মুহতাছিম সাইব (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সাইবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা। নিহত সাইব শেরপুর পৌর এলাকার দমদমা কালীগঞ্জ মহল্লার শিক্ষক দম্পতি আব্দুল মালেক ও রেবেকা সুলতানার একমাত্র ছেলে। সে শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। রেবেকা সুলতানা সম্প্রতি ফসিহ উল উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে অবসর নিয়েছেন। তার বাবা আব্দুল মালেক জেলার শ্রীবরদী উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে বিকালে শহরের তাতালপুর মহল্লার বিএম রোড এলাকায় একটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইব। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০), স্বপন (২১) ও আরমান (২০) সেখানে ছবি তোলার জন্য তাকে সরে যেতে বলেন। সাইব অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সাইবকে মারধর করে এবং মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে আনে। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং রাস্তার পাশের পানিভর্তি জমিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সাইবের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত ৬ জুন সাইবের মা রেবেকা সুলতানা ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। নিহতের মামাতো ভাই রাকিব মিয়া জানান, মঙ্গলবার বিকালে সাইবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে গ্রামের বাড়ি ভেলুয়ায় রাতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা যুগান্তরকে বলেন, ইতোপূর্বে দায়ের করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।
