মোহাম্মদপুরে ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম, পিঠে ৪৩ সেলাই

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a stabbing attack on an immigration police officer, which is a physical assault within Bangladesh and recent, so it meets inclusion criteria; however, there is no evidence of political party involvement, so it is not classified as political violence.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
23/07/26•কাদেরাবাদ হাউজিং

Killed

0

Injured

1

Summary

ইমিগ্রেশন পুলিশ উপপরিদর্শক ওসমান গনি বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিংয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। তিনি স্থানীয় ক্লিনিক ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পিঠে ৪৩টি সেলাই করিয়ে গেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Law Enforcement

Other actors

উপপরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনিমো. ফেরদৌসরাকিবউজ্জামান তালুকদারআব্দুল্লাহ আল মামুন

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 24/07/26open original ↗

মোহাম্মদপুরে ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম, পিঠে ৪৩ সেলাই

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিংয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে কাদেরাবাদ হাউজিং-এর মেইন রোডে এই ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তার পিঠে ৪৩টি সেলাই দেন।   এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবউজ্জামান তালুকদার বলেন,  প্রাথমিকভাবে করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কেউ আটক নেই। এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। আটক করতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের (মোহাম্মদপুর-আদাবর) জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে পূর্বশত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা জড়িত হামলাকারীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। প্রত্যক্ষদর্শী ও থানার একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে স্ত্রী তানজিনা সীমা ও একমাত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কাঁচাবাজার শেষে বাসায় ফিরছিলেন এসআই ওসমান গনি। এ সময় পেছন থেকে এক দুর্বৃত্ত তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতের পর আহত পুলিশ সদস্য হামলাকারীকে ধাওয়া করলেও তাকে আটক করতে পারেননি। আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত পুলিশ কর্মকর্তার পিঠে অন্তত ৪৩টি সেলাই লেগেছে। তার পুরো পিঠ জুড়েই ক্ষত তৈরি হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. ফেরদৌস ঘটনাস্থলে যান। সেখান থেকে তিনি ওসমান গনিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। গত ২২ জুলাই সকালে অজ্ঞাতনামা ৩ ব্যক্তি ওসমান গনির বাসার সামনে এসে তার সঙ্গে দেখা করেন ও পাসপোর্টের বিষয়ে কথা বলেন। গতকালের হামলার সঙ্গে এই তিন ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তিনি। এসএএ/এনএফ

Source 2: Jugantor · 22/04/26open original ↗

ভয় দেখাতেই ডিডিকে ছুরিকাঘাত, গ্রেফতার ৭

ক্যানসার হাসপাতালের টেন্ডার নিয়ে বিরোধ ভয় দেখাতেই ডিডিকে ছুরিকাঘাত, গ্রেফতার ৭ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক (ডিডি) ডা. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ও পুলিশ। র্যাব বলছে, টেন্ডার নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভয় দেখাতে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে উপপরিচালকের ওপর এ হামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কাওরানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড ইন্তেখাব চৌধুরী। র্যাবের হাতে গ্রেফতার পাঁচজন হলেন-শরিফুল আলম করিম, আমিনুল ইসলাম কালু, সালাউদ্দিন বদি, সাজ্জাদ এবং আরিফুজ্জামান। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ গ্রেফতার করেছে ইউসুফ আলী ও নেছার আহমেদ নামে আরও দুজনকে। র্যাব জানায়, হাসপাতালের টেন্ডার নিয়ে স্থানীয় রুবেল গ্রুপ ও মোনায়েম গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রুবেলের নির্দেশে ডা. আহমদ হোসেনের ওপর হামলার ছক আঁকা হয়। মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ২-৩ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এ হামলা চালায়। গ্রেফতার শরিফুল আলম করিম দেশে থেকে পুরো বিষয়টি তদারকি করেন। র্যাবের ধারণা, হত্যার উদ্দেশ্যে নয় বরং টেন্ডার নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভয় দেখাতেই এ হামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ডা. আহমদ হোসেনকে বেশ কিছুদিন ধরে বিদেশি নম্বর থেকে টেন্ডার দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সোমবার ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার পথে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পেছনের গলিতে হামলার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। র্যাব-১ ও সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযানে সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। মূল পরিকল্পনাকারী রুবেল বিদেশে থাকলেও তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।