পরকীয়ার অভিযোগে মারধর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

Classified as political violence because the target is explicitly identified as a former student wing leader (Shibir/Jamaat) who was attacked by locals, involving physical assault and arson.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
26/09/26•বাঘা

Killed

0

Injured

1

Summary

বাঘা উপজেলায় পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা সাবেক এক শিবির নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এবং তাঁকে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Jamaat

Other actors

হাফিজুর রহমাননবিউল ইসলামসেরাজুল হক

Affected infrastructure

housefurniture

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 27/09/26open original ↗

পরকীয়ার অভিযোগে মারধর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

পরকীয়ার অভিযোগে মারধর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ বাঘায় পরকীয়ার অভিযোগে সাবেক শিবির নেতার বাড়িতে শনিবার অগ্নিসংযোগ বিক্ষুব্ধ জনতার সমকাল বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ বাঘা উপজেলার একটি গ্রামে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাবেক এক শিবির নেতাকে মারধর ও তাঁর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত শিবির নেতা হাফিজুর রহমানের সঙ্গে তাঁর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  গত শুক্রবার রাতে ওই নারীর বাড়িতে যান হাফিজ। বিষয়টি দেখে নারীর ছেলে হাফিজকে মারধর করেন। গতকাল শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ জনতা হাফিজের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে আসবাব পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, হাফিজ রাজশাহী কলেজ শাখার শিবিরের দায়িত্বশীল পদে ছিলেন। এ বিষয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি নবিউল ইসলাম জানান, হাফিজ রাজশাহীতে শিবিরের সঙ্গে থাকলেও বাঘায় শিবির বা জামায়াতের সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি আরও বলেন, হাফিজ রাজশাহী ইবনে সিনা হাসপাতালে চাকরি করতেন বলে শুনেছি। তাঁকে রাজশাহী ইবনে সিনা থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। হাতের রগ কেটে যাওয়ায় তাঁর অবস্থা গুরুতর। ওই নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি।  বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - পরকীয়ার জের

Source 2: Jugantor · 19/08/26open original ↗

রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগে আম্মারের মামলার আবেদন

রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগে আম্মারের মামলার আবেদন পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Advertisement রাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ১০ আগস্ট রাকসু নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলী আদালতে মামলাটি করেন আম্মার। মঙ্গলবার বিকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহা. সালাহউদ্দিন বলেন, ১০ আগস্ট আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। ওইদিনই বিষয়টির তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিআইবি) হাতে দেন আদালত। মামলায় আসামিরা হলেন-ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মো. মাহমুদুল হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আজহারুল ইসলাম। এদের মধ্যে আনাস ও মাহিনকে ২৭ জুলাই রাকসু ও শিবির নেতারা দফায় দফায় মারধর করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের ২০২ নম্বর অফিসে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা সেখানে জড়ো হয়ে জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসে ঢুকে আসামিরা আম্মারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুসি মেরে আহত করা হয়। একই সময়ে অফিসের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। মামলার আবেদনে বলা হয়, একপর্যায়ে আনাসের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে নাজমুস সাকিবকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয়। আঘাত ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাতে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া নাজমুস সাকিবকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে মাহিন মেহেদীর বাম কানে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার বিষয়ে রাকসু জিএস আম্মার বলেন, ‘আমার সম্পাদকদের ওপর হামলা হয়েছে। এটা আমার কাছে মনে হয় যে, জাস্ট ফর কনসার্ন আর কিছুই না। এটা নিয়ে পরবর্তীতে একটা গেম খেলবে সরকার। এজন্য আমার সম্পাদকদেরকে ইনভলভ করে একটা মামলা করেছি। এটা শুধু কনসার্ন করে রাখা। এছাড়া আর কিছু না।’