বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১৯
Why this classification
This is a single, concrete physical clash on 12 February 2026 in Sonatala village, Sharankhola, between BNP and Jamaat supporters over the election, leaving 19 people injured and taken to hospital. It qualifies as violence because it involved a physical fight with injuries, and no deaths were reported.
Killed
0
Injured
19
Summary
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টার দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হন। আহতদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 19
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১৯
বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১৯ আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। ছবি: সমকাল বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩:৩৪ বাগেরহাটের শরণখোলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের ১ নং সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর সাব্বির, তরিকুল, সোবহান, নাজমা ও ফরিদাসহ ১৫ জন এবং বিএনপির রফিকুল ও ছিদ্দিকসহ চারজন আহত হন। এদিকে কচুয়া উপজেলার বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশ থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ নামে এক যুবককে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। তার কাছ থেকে একটি রামদাসহ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে সদর উপজেলার হাড়িখালী কাঠের পোল এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আব্দুর রউফ (এন), বিএন, অধিনায়ক, রিভারাইন বর্ডার গার্ড কোম্পানি, নীলডুমুর এবং মেজর আশরাদ, ২৩ আরই ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। তল্লাশি চালিয়ে দোকান থেকে ৬টি হাসুয়া, ৩টি করাত, ৩টি চাকু, ১টি বড় হাতুড়ি ও ৭টি লোহার হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আব্দুর রউফ সাংবাদিকদের জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব দেশীয় অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন বলেন, শরণখোলায় সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।
