চেয়ারম্যান পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে কেরানীগঞ্জে স্কুলে হামলা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because the motive was a conflict over a political office (Chairman post), and it resulted in physical injuries to four people.

Reported by:JugantorSingle source
08/09/26•London School of English, Chunkutia

Killed

0

Injured

4

Summary

২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার ‘লন্ডন স্কুল অব ইংলিশ’-এ চেয়ারম্যান পদ নিয়ে বিরোধের জেরে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এই ঘটনায় স্কুলটির অংশীদার ফিরোজ আলম এবং তিন শিক্ষক আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

School Staff

Other actors

Firoz AlamNusrat KhanAlimuzzamanAyon GhoshAbul Kalam Azad

Affected infrastructure

London School of English

Tags

Election Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 4

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: School Staff

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 09/09/26open original ↗

চেয়ারম্যান পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে কেরানীগঞ্জে স্কুলে হামলা

চেয়ারম্যান পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে কেরানীগঞ্জে স্কুলে হামলা Advertisement কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চেয়ারম্যান পদ নিয়ে বিরোধের জেরে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার ‘লন্ডন স্কুল অব ইংলিশ’-এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে স্কুলের ভেতরে ঢুকে একপক্ষের ওপর বহিরাগতরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্কুলটির অংশীদার ফিরোজ আলম এবং তিন শিক্ষক আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষকরা হলেন-বাংলা মিডিয়ামের ইনচার্জ নুসরাত খান, সহকারী শিক্ষক আলিমুজ্জামান ও অয়ন ঘোষ। ঘটনার সময় স্কুলে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা চলছিল। নিচতলায় অবস্থান করছিলেন শতাধিক অভিভাবক। হঠাৎ হামলা ও মারামারির ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। এমনকি কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে দেখা গেছে বলেও দাবি তাদের। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘দুই পক্ষকে থানায় নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসানো হয়েছে। কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’