শাহ আলীর মাজারে ভক্তদের ওপর হামলা
Why this classification
This is a specific incident on 14 May 2026 in which a local crowd of 70-80 people beat shrine visitors with sticks and drove them out, with videos showing sticks in use. It is a real attack, not a reaction or statistical roundup, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
মিরপুরে হজরত শাহ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে ১৪ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) রাত ১টার দিকে মাদক সেবনের অভিযোগে স্থানীয় ৭০-৮০ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে ভক্তদের মারধর করে মাজার থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় মাজারের আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে, যদিও জামায়াত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শাহ আলীর মাজারে ভক্তদের ওপর হামলা
শাহ আলীর মাজারে ভক্তদের ওপর হামলা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মিরপুরে হজরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহ.)-এর মাজারে ভক্তদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে মাজারের ভেতরে মাঠের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, মাজারে মাদক সেবন নিয়ে বিরোধে হামলার সূত্রপাত হয়েছে। এদিকে হামলার ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা মাদক সেবনের অভিযোগে লাঠিসোঁটা নিয়ে জিয়ারতকারীদের মারধর করে মাজার থেকে বের করে দিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামায়াত। জানতে চাইলে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম যুগান্তরকে বলেন, কিছু নারী-পুরুষ মাজারের মধ্যে গাঁজা সেবন করছিলেন। তাদের বাধা দেন মাজারে অবস্থান করা অন্যরা। এ নিয়েই ঝামেলার সৃষ্টি হয় বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। হামলার ঘটনায় একটি রাজনৈতিক দলের (জামায়াত) নামও বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। তবে কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, কেন হামলা করেছে-তার সত্যতা বের করতে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে মাজারে বার্ষিক ওরস চলছিল। এ উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত ও জিয়ারতকারীরা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। রাত ১টার দিকে স্থানীয় ৭০-৮০ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে মাজারে প্রবেশ করে এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে তাদের মাজার থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়-মাজারে থাকা ভক্ত ও জিয়ারতকারীদের কয়েকজন লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করছেন। ডিএমপির দারুসসালাম জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) এমদাদ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে রওজার পাশে কয়েকজন বহিরাগত নারী-পুরুষ মাদক সেবন করছিল। স্থানীয়রা তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে। ভিডিওতে তাদের হাতে লাঠি দেখা গেছে। তবে মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। হামলাকারীরা জামায়াতের নেতাকর্মী কিনা-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা স্থানীয়। এর মধ্যে দু-একজন জামায়াতের লোক থাকতে পারেন। এদিকে মাজারে আগতদের ওপর হামলার ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীরা যুক্ত নেই বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, মাজারে জামায়াত-শিবিরের লোকদের হামলা করার কোনো কারণ নেই। তারা হামলা করেননি। যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। অন্যদিকে মাজারে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সুফি সমাজকেন্দ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাকাম। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত এবং মাজার ও দরগাহ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি ৫ দাবি উপস্থাপন করেন তারা। বিবৃতিতে তারা বলেন, ঐতিহাসিক হজরত শাহ আলী বাগদাদীর মাজারে সহিংস কায়দায় হামলা চালিয়েছে একদল উচ্ছৃঙ্খল ও উন্মত্ত যুবক। হামলার মাধ্যমে মাজারে থাকা ফকিরদের মারধর, নারীদের আক্রমণ ও মাজারসংলগ্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলায় অংশগ্রহণকারী ও নেপথ্যে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। তারা বিবৃতিতে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ৯৭টি মাজারে হামলা হয়েছে। ৯৭টি হামলার ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ৪৬৮ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে হামলার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে। কিছু ঘটনায় মামলা হলেও অগ্রগতি নেই।
