ছাগলের হাটকে কেন্দ্র করে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবকদল-যুবদল-ছাত্রদলের সংঘর্ষ
Why this classification
This is a single, recent incident in Mohammadpur, Dhaka, where BNP and its affiliated wings physically clashed on 23 May 2026 over who controls a goat market. No casualties were reported, but the clash caused panic in the area, so it counts as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৩ মে ২০২৬ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে কুরবানির ছাগলের হাট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছাগলের হাটকে কেন্দ্র করে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবকদল-যুবদল-ছাত্রদলের সংঘর্ষ
ছাগলের হাটকে কেন্দ্র করে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবকদল-যুবদল-ছাত্রদলের সংঘর্ষ Advertisement হাজারীবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কুরবানির ঈদ উপলক্ষে ছাগলের হাট বসানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ও আশপাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা যায়, প্রতি বছর কুরবানির ঈদ উপলক্ষে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ও পাশের সড়কে ছাগলের হাট বসে। এবার ওই হাট কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে—এ বিষয়টি ঘিরে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় বিএনপির ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক পদধারী নেতা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, থানা বিএনপির নেতা এনায়েতুল হাফিজ এবং স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা লিটন মাহমুদ বাবুর মধ্যে হাট বসানো নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের সঙ্গে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মী যোগ দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এদিকে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ বাবু, থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আল আমিন, থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রনি, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেনসহ কয়েকজন একপক্ষ হিসেবে সংঘর্ষে জড়ান। অপরদিকে মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনায়েতুল হাফিজ, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ সংঘর্ষে অংশ নেয়। ঘটনার পর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং পুরো এলাকা কিছু সময়ের জন্য থমথমে হয়ে যায়। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে এটি সামান্য বাকবিতণ্ডার ঘটনা। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। কী কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়েও এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
