ঈশ্বরদীতে পেট্রোল পাম্পে লাইন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে ছুরিকাঘাত
Why this classification
A man was wounded by a sharp object during a fight at a petrol pump queue on 2 April 2026, and he was sent to Rajshahi Medical College Hospital. Police say the weapon may have been sharp glass rather than a knife, but the attack is still a physical assault with injury, so it counts as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আরামবাড়ীয়া মুনসুর ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়া নিয়ে তর্কের জেরে ২ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকালে উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) নামে এক যুবক পেছন থেকে ছুরিকাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, আর পুলিশ তদন্ত করছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ঈশ্বরদীতে পেট্রোল পাম্পে লাইন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে ছুরিকাঘাত
ঈশ্বরদীতে পেট্রোল পাম্পে লাইন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে ছুরিকাঘাত ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:৫৬ পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আরামবাড়ীয়া মুনসুর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত উজ্জ্বল হোসেন উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের ইলশামারী গ্রামের আকমল হোসেনের ছেলে। উজ্জ্বল হোসেন জানান, মোটরসাইকেলে পেট্রোল নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনে গিয়েছিলাম। সেখানে বিশৃঙ্খলা দেখে সবাইকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে পেট্রোল নেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। এ নিয়ে কয়েকজন তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কে বা কারা আমাকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আরমান হোসেন বলেন, আমরা দুই শতাধিক মোটরসাইকেল চালক লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম তেলের অপেক্ষায়। হঠাৎ মারামারি শুরু হয়। পরে দেখি একজনের শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। তাকে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান বলেন, সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ছুরি না। ধারালো কাঁচ জাতীয় কিছু হতে পারে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। - বিষয় : - পাবনা
ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ
ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতা কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আবাসিক হোটেলে নিয়ে এক বিধবা নারীকে (৪৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। গত ২ এপ্রিল ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই নারী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে চারদিন চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন। ভুক্তভোগী ফরিদপুর পৌরসদরের বাসিন্দা। স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুজন শেখ (৩৫) শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার মৃত হালিম শেখের ছেলে। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে দেখা যায়, একটি জরাজীর্ণ ছোট্ট টিনের ছাপরাঘরে তিনি বসবাস করেন। তার ঘরে নেই তেমন আসবাবপত্র। টিনের চালার ওপরে টানানো রয়েছে প্লাস্টিকের বস্তাসহ পলিথিন। বৃষ্টি নামলেই পলিথিন চুইয়ে পানি পড়ে। এ ঘরটিতেই একমাত্র ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। ভুক্তভোগী নারী জানান, গত ১০ বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে অন্যের বাসা-বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তার। তবে আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। সম্প্রতি তাকে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবাভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিবেশী সুজন শেখ। কার্ড করে দিতে উপজেলা পরিষদে যাওয়ার কথা বলে ২ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে তিনি সুজনের সঙ্গে রিকশাযোগে রওয়ানা হন। এরপর শহরের গোয়ালচামটে পুরাতন বাসটার্মিনালের ভাঙা রাস্তার মোড়ে নিয়ে নামানো হয়। সেখান থেকে নতুন বাসটার্মিনাল সড়কের দিকে কিছু দূর পায়ে হেঁটে একটি আবাসিক হোটেলের সামনে নেওয়া হয়। এ সময় ওই নারীকে জানানো হয়, এখানেই অফিস। এরপর আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে ওই নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চারদিন চিকিৎসা নিয়ে ৬ এপ্রিল বাড়ি ফিরে আসেন। ভুক্তভোগী নারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযুক্তের বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমিতো অফিস চিনি না। সুজনের কথা অনুযায়ী সেখানে গেছিলাম। কারণ আমার স্বামী নেই। সংসারে অভাব-অনটন থাকায় সরকারের সুবিধা পাওয়ার জন্য বিশ্বাস করে সুজনের সঙ্গে গিয়েছি। কিন্তু আমার জীবনটা শেষ কইরা দিল। আমি ওর বিচার চাই।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুজন শেখ বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে আমার নামে মিথ্যা বলা হচ্ছে। ওই মহিলা কার্ড করার জন্য মাঝে মাঝেই আমার বাড়িতে আসতেন। ওইদিনও বাড়িতে আসেন। তখন আমি উত্তেজিত হয়ে জোরে একটি লাথি মেরেছিলাম। এই কারণে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে।’ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এক বিধবা নারীর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
