মোবাইল কোর্টে জরিমানার জেরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে মারধর
Why this classification
The article reports a concrete incident where the fertilizer seller Babul Molla assaulted sub‑assistant agriculture officer Bipul Kumar Mallik with bamboo sticks, causing serious injuries. This physical attack meets the violence criteria and occurred in Bangladesh within the 14‑day window.
Killed
0
Injured
1
Summary
১৩ অক্টোবর নাজিরপুরের দীঘিরজান বাজারে মোবাইল কোর্টে অবৈধ সার বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীকে জরিমানা করার পর, বাবুল মোল্লা তার পথে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল কুমার মল্লিককে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে গুরুতর আঘাত করেন। আহত কর্মকর্তা পরে থানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
96% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মোবাইল কোর্টে জরিমানার জেরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে মারধর
পিরোজপুরের নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রির দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। এর জেরে বিপুল কুমার মল্লিক (৪৬) নামের এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দীঘিরজান বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল কুমার মল্লিক বাদী হয়ে অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ী মো. বাবুল মোল্লার (৫৫) বিরুদ্ধে নাজিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, সার ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দীঘিরজান বাজারে লাইসেন্স ছাড়া অবৈধভাবে সার বিক্রি করে আসছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিবের যৌথ নেতৃত্বে দীঘিরজান বাজারে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল কুমার মল্লিক সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযানের সময় বাবুল মোল্লার দোকান ও গুদাম তল্লাশি করে ২ বস্তা ইউরিয়া, ৩.৫ বস্তা ডিএপি, ১ বস্তা এমওপি এবং ৫ বস্তা টিএসপি সার উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে সার মজুত ও বিক্রির অপরাধে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আহসান হাবিব ওই ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জানা যায়, অভিযান শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিপুল কুমার মল্লিক ব্যক্তিগত কাজে বাজারে গেলে বাবুল মোল্লা তার পথরোধ করেন। মোবাইল কোর্টে সহযোগিতার ‘অপরাধে’ তাকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। হামলায় কৃষি কর্মকর্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় বাবুল মোল্লা প্রকাশ্যে তাকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নাজিরপুর থানা-পুলিশ আহত কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাতুন্নেছা এশা বলেন, পূর্ব অভিযোগের ভিত্তিতে লাইসেন্সহীন সার বিক্রির অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাবুল মোল্লাকে জরিমানা ও সার জব্দ করা হয়। অভিযানে তিনি আমার সঙ্গেও অসদাচরণ করেন। আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর তিনি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল মল্লিকের ওপর শাটারের লাঠি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব জানান, দীঘিরজান বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লার দোকান থেকে অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, অভিযান শেষে চলে আসার পর ওই ব্যক্তি কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তাকে মারধর করেছে বলে শুনেছেন। অফিস খোলার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।’ সাদী মো. হিমেল/বিআরইউ
