মাধবদীতে প্রেমিককে কোপানোর জেরে প্রেমিকার বাড়িতে আগুন

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Narsingdi. Parties reported: Sajjad's Family, Girlfriend's Family. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Ajker PatrikaJugantorCorroborated · 2 sources
26/04/26•Khanmurdi, Madhabdi

Killed

0

Injured

1

Summary

নরসিংদীর মাধবদীতে প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাজ্জাদ হোসেন নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রেমিকার পরিবার। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাজ্জাদের স্বজনেরা প্রেমিকার বাড়িসহ চারটি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 6

Parties involved

Sajjad's FamilyGirlfriend's Family

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 27/04/26open original ↗

মাধবদীতে প্রেমিককে কোপানোর জেরে প্রেমিকার বাড়িতে আগুন

নরসিংদীর মাধবদীতে সাজ্জাদ হোসেন (২২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে। এর জেরে ক্ষিপ্ত ওই যুবকের স্বজনেরা ওই প্রেমিকার বাড়িসহ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে মাধবদী থানার খনমুর্দ্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাজ্জাদ হোসেন খনমুর্দ্দি মহল্লার মাহতাব মিয়ার ছেলে। তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে গেছে, সাজ্জাদের সঙ্গে একই এলাকার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে ওই তরুণী সাজ্জাদের সঙ্গে পালিয়ে গেলে তাঁর পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তরুণীকে বাড়িতে ফিরিয়ে যায়। রোববার সকালে ওই তরুণী আবার সাজ্জাদের কাছে চলে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই তরুণীর ভাই, চাচাসহ কয়েকজন সাজ্জাদের ওপর হামলা চালান। তাঁরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁকে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সাজ্জাদের স্বজনেরা ওই তরুণীর বাড়ি, তাঁর চাচা ও ফুফুর বাড়িসহ মোট চারটি ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় ঘরের লোকজন দৌড়ে পালিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচান। মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রায়হান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও স্থানীয়দের বাধার কারণে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এতে চারটি ঘরের প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়। মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রথমে একজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে এর প্রতিশোধ নিতে বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Jugantor · 15/06/26open original ↗

আর্থিক বিরোধে গলা কেটে খুন করা হয় সারোয়ারকে

আর্থিক বিরোধে গলা কেটে খুন করা হয় সারোয়ারকে Advertisement নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম নরসিংদীতে চাঞ্চল্যকর সারোয়ার হোসেন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ নরসিংদীতে চাঞ্চল্যকর সারোয়ার হোসেন (২২) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের কারণেই তাকে গলা কেটে খুন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাটেক (মিশুক) ও বিক্রি করা চারটি ব্যাটারিও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকালে নরসিংদী সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ। নিহত সারোয়ার হোসেন নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী এলাকার হাজী রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে নরসিংদী শহরের টাওয়াদী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (বিভাটেক) চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গ্রেফতাররা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার হারুয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৭) এবং নরসিংদীর বুড়িদিয়ামারা এলাকার কবির হোসেনের ছেলে আশিক (২১)। পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুন দুপুরে টাওয়াদী এলাকা থেকে সারোয়ার তার বিভাটেক নিয়ে বের হওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাননি। পরে ১৪ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর এলাকার একটি জমির পাশে বড়ই গাছের নিচের ঝোপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাজী রহমান বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল-ফারুকের নির্দেশনায় নরসিংদী মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম তদন্তে নামে। তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, নিহত সারোয়ারের সঙ্গে গ্রেফতারকৃত আনোয়ারের আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন আনোয়ার কৌশলে সারোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে যায় এবং পরে ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর বিভাটেকটি নিয়ে যায় এবং এর ব্যাটারিগুলো বিক্রি করে দেয়। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত বিভাটেক ও বিক্রি করা চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত দুই আসামিই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা কারণ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।