চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের দুই দফা সংঘর্ষে আহত ১৫
Why this classification
This is a single, concrete incident dated 21 April 2026 in which Chhatra Dal and Chhatra Shibir members attacked each other with sticks, knives, daggers and bricks at Chattogram City College. At least 15 people were injured, including one person with a head wound requiring four stitches.
Killed
0
Injured
15
Summary
চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের দেয়ালের গ্রাফিতি নিয়ে বিরোধের জেরে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দুই দফায় লাঠিসোটা, দা, কিরিচ ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষ হয়, যাতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করেছে এবং ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 15
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের দুই দফা সংঘর্ষে আহত ১৫
গ্রাফিতি নিয়ে দ্বন্দ্ব চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের দুই দফা সংঘর্ষে আহত ১৫ প্রকাশ্যে লাঠিসোটা কিরিচ নিয়ে মহড়া Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে গ্রাফিতি লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুপুরের দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই দফায় লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এর মধ্যে কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়ার মাথায় গুরুতর আঘাত হয়। তার মাথায় ৪টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে সংঘর্ষের পর কলেজ কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ ক্লাশ-পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্স কোর্সের চলমান পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের দেয়ালে পূর্বে আঁকা জুলাই-আগস্টের গ্রাফিতির নিচে ‘ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা ছিল। পরে কলেজের একদল সাধারণ শিক্ষার্থী সেখানে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে দিয়ে ‘গুপ্ত’ শব্দটি লিখে দেয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ ক্যাম্পাসে মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। যা প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে। সংঘর্ষ চলাকালে একপক্ষ অপর পক্ষের ওপর দা, কিরিচ, লাঠি-সোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলায় অংশ নেওয়া কারো কারো মাথায় ছিল হ্যালমেট। সংঘর্ষ ক্যাম্পাস থেকে নিউমার্কেট মোড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় দফায় বিকাল ৪টার দিকে তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির প্রচার সম্পাদক ছাদেক হোছাইনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রশিবিরের নেতা হিসেবে পরিচিত তামিমের নেতৃত্বেও একটি দল অংশ নেয়। হামলায় উভয়পক্ষের ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছে। সিটি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল সিদ্দিক রনি বলেন, দেয়ালে ‘গুপ্ত’ লেখাকে কেন্দ্র করে সকালে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ক্যাম্পাসে অশালীন মন্তব্য করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তারা তাতে সাড়া দেয়নি। পরে কিছু বিভিন্ন কলেজ থেকে শিবির ও বহিরাগত লোকজন এসে আমাদের ছেলেদের মারধর করে। হামলায় আমারও মাথা ফেটে গেছে। আঙ্গুলের নখ উঠে গেছে। হামলায় সাধারণ শিক্ষার্থীসহ আমাদের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর। কলেজ ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ বলেন, শিবির নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আদর্শিক লড়াইয়ের পরিবর্তে ছাত্রদল শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, যা দুঃখজনক। ছাত্রদলের হামলায় আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, দেয়াল গ্রাফিতিকে কেন্দ্র করে শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
