চবিতে দোকান ভাঙচুর করলেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল
Why this classification
This is a concrete incident in which Jalal Siddiki, a joint general secretary of the Chhatra Dal student wing, smashed the cash table of a roadside tea stall at Chattogram University and struck its owner, H M Sujon, on the mouth, causing his lip to bleed. The attack happened on 15 April 2026, within the recent window, and involved physical violence and property damage.
Killed
0
Injured
1
Summary
১৫ এপ্রিল (বুধবার) রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়িতে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল সিদ্দিকী বাকি টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে টং দোকানের ক্যাশ টেবিল ভাঙচুর করেন এবং দোকানি এইচ এম সুজনকে মারধর করেন, যাতে তার ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়। পরে জালাল সিদ্দিকী দোকানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
চা দিতে দেরি করেন স্ত্রী, ক্ষোভে ২ মাসের শিশুকে আছড়ে হত্যা বাবার
চা দিতে দেরি করেন স্ত্রী, ক্ষোভে ২ মাসের শিশুকে আছড়ে হত্যা বাবার স্বজনদের আহাজারি হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫:৪৮ চা দিতে দেরি হওয়ায় মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দুই মাসের কন্যা শিশু সাপরিনা জান্নাত মাহিরাকে মাটিতে আছাড় মেরে হত্যা করেছেন বাবা ওসমান গণি। আজ মঙ্গলবার সকালে এ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চারিয়া-মুরাদপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ দুপুর ২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী মডেল থানার এসআই হাবিব। নিহত মাহিরা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চারিয়া মুরাদপুর এলাকার ইব্রাহীম মেম্বার বাড়ির ওসমান গণির মেয়ে। এসআই হাবিব বলেন, আজ সকালে ওসমান গনি তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের কাছে চা চান। কিন্তু চা দিতে দেরি হওয়ায় সুমাইয়ার কাছ থেকে মেয়ে মাহিরাকে কেড়ে নিয়ে মাটিতে দুইবার আছাড় দেন ওসমান গনি। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাটহাজারী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, মাহিরার মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনায় মাহিরার চাচা রোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চবিতে দোকান ভাঙচুর করলেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) টং দোকানির ক্যাশ টেবিল ভাঙচুর ও দোকান মালিককে মারধর করেছেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল সিদ্দিকী। এ ঘটনায় পরে ওই দোকানির কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর ও মারধরের শিকার হওয়া ওই দোকানির নাম এইচ এম সুজন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে টং দোকান চালানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়েও কর্মরত আছেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়িতে অবস্থিত ওই টং দোকানে ছাত্রদল নেতা জালাল সিদ্দিকীর নামে ৩০ টাকা কে বা কারা বাকি খেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এ বাকির বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ওই দোকানির কাছ থেকে ভিডিও বক্তব্য নেন। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ হন জালাল। কেন ভিডিও বক্তব্য দিলেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জালাল টং দোকানের ক্যাশ টেবিল ভাঙচুর করেন। পাশাপাশি দোকানির মুখেও আঘাত করেন তিনি। এ বিষয়ে টং দোকানি সুজন সরাসরি মন্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি বলেন, বাকি খাওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা জালাল সিদ্দিকী তার ক্যাশ টেবিল ভাঙচুর করেন এবং তার মুখে আঘাত করলে ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়। ভাঙচুর ও মারধরের বিষয়ে জালাল সিদ্দিকী ঢাকা পোস্টকে বলেন, “আমি নাকি ৩০ টাকা বাকি খেয়েছি—এটা হৃদয় (শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক) বারবার ওই দোকানে গিয়ে ভিডিও করেছে। এটা শোনার পর আমি সেখানে গিয়ে দোকানির কাছে জানতে চাই। তখন সে বলে, ‘আমি আপনার নাম বলিনি, অন্য জালালের নাম বলেছি।’ পরে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। আমি ক্ষমা চেয়েছি।” দোকানির কোনো ভিডিও বক্তব্য নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, “আমি ওই টং দোকানে গেলে সুজন নামের দোকান মালিক আমাকে বলেন, ‘আপনার দলের নেতাকর্মীরা বাকি খেয়ে টাকা দেয় না।’ তখন আমি তাকে বলি, ৫ আগস্টের পর এটা সম্ভব না। কে করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জালাল। এরপর আমি কনসার্টে চলে যাই। আমি কারও ভিডিও করিনি। পরে খবর পাই, জালাল ওই দোকান ভাঙচুর করেছে। এটি কখনো কাম্য নয়।” আতিকুর রহমান/এমটিআই
লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্র হত্যা, ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্র হত্যা, ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম চট্টগ্রামে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদকে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছে পরিবার। নিহত সাজিদের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে মঙ্গলবার চকবাজার থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৭ জন ছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন- আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েস ও ভবনের দারোয়ান এনামুল হক। আসামিদের বেশিরভাগই একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। সোমবার রাতে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মারামারির সময় বিএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সাজিদকে ৮ তলা থেকে লিফটের জন্য রাখা ফাঁকা গর্তে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাজিদ লেখাপড়ার সুবাদে ডিসি রোড শিশু কবরস্থানের পাশে কেএম মঞ্জিলের ষষ্ঠতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এজাহারে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকালে সাজিদের বন্ধু ফারদিন হাসানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিকের মোড়ে দেখা করে। তারা দুইজনে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েক কিশোর গ্যাং সদস্য ধারাল ছোরার ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সাজিদ কৌশলে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের ‘আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ভবনে প্রবেশের প্রধান গেট আটকিয়ে ভবনের ৮ম তলায় উঠে যায়। ভবনটির দারোয়ান ভবনটির প্রধান গেট খুলে দিলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আইমনসহ অন্যরা ভবনের উপরে উঠে সাজিদকে মারধর করে ভবনের ৮ম তলার লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদ যুগান্তরকে জানান, নিহতের পিতা ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ভবনটির দারোয়ান এনামুল হককে গ্রেফতারের পর এ মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
