আনোয়ারায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Chattogram. Parties reported: Victim: Halima Akter, Suspect: Mizanur Rahman (Husband). Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় হালিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আনোয়ারায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
নিহত গৃহবধূ হালিমা আক্তারছবি: সংগৃহীত চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া গ্রামের কালু মাঝির বাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধূর নাম হালিমা আক্তার (২১)। তিনি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে। নিহত ব্যক্তির স্বামীর নাম মিজানুর রহমান। গৃহবধূর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হালিমার সঙ্গে মিজানুরের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে মিশকাতুল জান্নাত নামে দেড় বছরের এক মেয়ে সন্তান আছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সালিস বৈঠকও হয়। সর্বশেষ গতকাল শনিবার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্কাতর্কি হয় এবং পরে আজ সকালে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর ঘর থেকে পালিয়ে হালিমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন গা ঢাকা দিয়েছেন। নিহত হালিমার বড় ভাই নঈম উদ্দিন বলেন, ‘আজ ভোর সাড়ে ছয়টার সময় বোনের স্বামী আমার বাবার মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায় হালিমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমরা তাড়াতাড়ি এসে দেখি, শয়নকক্ষের ওপরে ছাদের সঙ্গে লাশ ঝুলছে এবং মাটিতে পা স্পর্শ করেছে। আমাদের ধারণা বোনকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।’ আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠাচ্ছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’ মো. জুনায়েত চৌধুরী আরও বলেন, ‘রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করব।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মৃত্যুআনোয়ারাঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগ
