পাথরঘাটায় বাবা মাকে নির্যাতন দুই ছেলের
Why this classification
Two sons allegedly stripped their parents and beat them in public on Tuesday night (17 March 2026) after the parents objected to fish being taken from a mosque pond and sold. Both parents were seriously injured and are receiving treatment at the upazila health complex, so this is a concrete, recent physical attack.
Killed
0
Injured
2
Summary
বরগুনার পাথরঘাটায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) রাতে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলা গ্রামের পদ্মা বাজার এলাকায় দুই ছেলে বেল্লাল ও হেলাল বাবা নুরুল ইসলাম ও মা বিউটিকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্যে মারধর করে। মসজিদের দিঘি থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরে বিক্রির প্রতিবাদ করায় এই হামলা হয় এবং দুজনই গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পাথরঘাটায় বাবা মাকে নির্যাতন দুই ছেলের
পাথরঘাটায় বাবা মাকে নির্যাতন দুই ছেলের Advertisement পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পাথরঘাটায় বাবা-মাকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলা গ্রামে নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী বিউটিকে পদ্মা বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে নির্যাতন করে ছেলে বেল্লাল ও হেলাল। জানা গেছে, রোববার সকালে স্থানীয় একটি মসজিদের দিঘি থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে সেই মাছ প্রায় ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে বাবা-মা প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর অবস্থায় নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। নুরুল ইসলাম বলেন, ছেলেরা প্রায়ই আমাদের মারধর করে। তারা মাদকাসক্ত এবং বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। আমরা তাদের হাত থেকে বাঁচতে চাই এবং সরকারের কাছে বিচার চাই। ওসি মো. এনামুল হক জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
