রাঙামাটিতে ছাত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক
Why this classification
A teacher beat a nine-and-a-half-year-old student so badly that she had to be taken to hospital for treatment. The incident happened on 31 March 2026, within the 14-day window, and it took place in Rangamati, Bangladesh.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাঙামাটি শহরের কালিন্দীপুর এলাকায় প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে সহকারী শিক্ষক আছেইং রাখাইন সাড়ে নয় বছর বয়সী শিক্ষার্থী শ্রমণা দেওয়ানকে বেধড়ক পেটান। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 31/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রাঙামাটিতে ছাত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক
রাঙামাটিতে ছাত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক Advertisement রাঙামাটি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শিশুটির নাম শ্রমণা দেওয়ান। রাঙামাটি শহরের কালিন্দীপুর এলাকায় বসবাসকারী অমৃত লাল দেওয়ানের মেয়ে। বয়স সাড়ে নয় বছর। শহরের বনরূপা (কামিলাছড়ি) মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তবে প্রাইভেট পড়ে রাণী দয়াময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আছেইং রাখাইনের কাছে। এ সময় পড়াতে গিয়ে অবুঝ শিশু শ্রমণাকে বেধড়ক পিটিয়েছেন নিষ্ঠুর শিক্ষক আছেইং। ঘটনাটি ঘটেছে ৩১ মার্চ। অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তাকে চিকিৎসা করানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ মামলা হিসাবে লিপিবদ্ধ করে আহত শিশুটির প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। ভুক্তভোগী শিশুটিকে নিয়ে এ অমানবিক ঘটনাটির বর্ণনা তুলে ধরেন তার বাবা। এদিকে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে দেখা দেয় উদ্বেগ। তদন্তসাপেক্ষে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিন। শিক্ষকের এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিকার ব্যবস্থার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা। এ ব্যাপারে আছেইং রাখাইন বলেন, ভালোভাবে পড়াশোনা না করায় শাসন করতে গিয়ে এরকম হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে তা হয়নি।
