মামলা নিতে বিলম্ব লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও স্বজনদের
Why this classification
এটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা: ৩ জুন প্রতিপক্ষ পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়, এতে আফাজ উদ্দিন দগ্ধ হয়ে ৬ জুন মারা যান। মামলা নিতে বিলম্বের প্রতিবাদে লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও হলেও মূল ঘটনা অগ্নিসংযোগ ও হত্যা, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে ধরা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রতিপক্ষের পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ায় দগ্ধ আফাজ উদ্দিন ৬ জুন মারা যান। মামলা নিতে বিলম্ব হওয়ায় ৮ জুন স্বজনরা লাশ নিয়ে সৈয়দপুর থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন; পরে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মামলা নিতে বিলম্ব লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও স্বজনদের
মামলা নিতে বিলম্ব লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও স্বজনদের স্বজনরা আফাজ উদ্দিনের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সৈয়দপুর থানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় সৈয়দপুর-নীলফামারীগামী শেরে বাংলা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় -সমকাল নীলফামারী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ০৮:৩২ | প্রিন্ট সংস্করণ নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় প্রতিপক্ষের পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হওয়া ষাটোর্ধ্ব আফাজ উদ্দিন চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শনিবার মারা গেছেন। এ ঘটনায় মৃত্যুর তিন দিন পরও মামলা গ্রহণ না করায় স্বজন ও এলাকাবাসী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল, থানা ঘেরাও এবং সড়ক অবরোধ করেছেন। গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে নিহতের স্বজনরা লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন, পরে সৈয়দপুর থানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এতে থানা চত্বর ও সৈয়দপুর-নীলফামারীগামী শেরে বাংলা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা ওসির অপসারণ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা অবরোধের পর মামলা নথিভুক্ত এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে স্বজন ও এলাকাবাসী কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। পরে নিহতের বড় ছেলে নুর হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ভোরে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন আফাজ উদ্দিন। এ সময় দুর্বৃত্তরা বাড়িতে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দেন বলে অভিযোগ উঠে। আগুনে তিনি প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হন। প্রথমে তাঁকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে, পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার বার্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহতের ছোট ছেলে আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিন মাস আগে পাতা কুড়ানোকে কেন্দ্র করে একই ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামের আব্দুস সালাম চঞ্চলের সঙ্গে তাদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জের ধরে গত ৩ জুন রাতে তাঁর বড় ভাই নুর হোসেনকে মারধর করা হয়। পরে গভীর রাতে প্রতিপক্ষ বাড়িতে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দেয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাবার মৃত্যুর পরও পুলিশ মামলা নেয়নি। উল্টো স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা লাশ নিয়ে থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা সমকাল প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় শুরুতে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরে একটি এজাহার দেওয়া হলে এজহারে কিছু ত্রুটি থাকায় সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। - বিষয় : - থানা ঘেরাও
ঘরের মেঝে খুঁড়ে বের হলো মায়ের মরদেহ, ছেলে পলাতক
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) রাত ১২টার দিকে বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দান পাড়া এলাকায় নিজ ঘর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মারুফা বেগম ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মারুফা বেগমের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি বড় ছেলে জুয়েল মিয়াসহ বাড়িতে থাকতেন। গত সোমবার সবাইকে জানানো হয় মারুফা বেগম নিখোঁজ হয়েছেন। পরে লাভিন মিয়া ঢাকা থেকে এসে তার মাকে খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও সন্ধান পাননি। লাভিন মিয়ার স্ত্রী গতকাল নিজের ঘরের বিছানা গোছাতে গিয়ে রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে তাকে জানান। পরে লাভিন মিয়া থানায় এসে পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানার তোশকের নিচে রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলের অভিযোগ, তার বড়ভাই জুয়েল তার মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছেন। লাভিন মিয়া বলেন, আমি ঢাকা থেকে এসে শুনি আমার মায়ের সঙ্গে বড়ভাইয়ের বউয়ের ঝগড়া হয়েছিল। পরে বড়ভাইয়ের বউ রাগ করে সেদিন তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। সেদিন থেকে আমার মা নিখোঁজ। গতকাল আমার বউ ঘরে গিয়ে বিছানার তোশকের নিচে রক্ত ও ঘরের ভিতরে মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে আমাকে জানায়। পরে আমি বিষয়টি পুলিশকে জানাই। আমার মা নিখোঁজের পর থেকে আমার বড়ভাই আত্মগোপন রয়েছে। আমার ধারণা আমার বড়ভাই মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছে। এ বিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, গতকাল নিহতের ছোট ছেলে থানায় এসে বিষয়টি জানালে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ঘরের ভেতরে রক্ত ও মেঝেতে ফাটল দেখে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করি। তিনি আরও বলেন, নিহত মারুফা বেগম দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে কে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছে সেটা জানা যাবে। শাহজাহান ইসলাম লেলিন/আরকে
