রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
Why this classification
A named NCP leader is accused of verbally abusing and beating nurses at the Naogaon hospital, and he admits slapping a male nurse. The article is mainly about protests and counter-protests, but the physical altercation is a specific, new act of violence that took place on 19 April 2026.
Killed
0
Injured
0
Summary
নওগাঁ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মাহবুব আল হাসান সোহাগের বিরুদ্ধে নার্সদের গালাগাল, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। তিনি একজন পুরুষ নার্সকে চড় মারার কথা স্বীকার করেছেন, যদিও অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে বিক্ষোভ ও পাল্টা মানববন্ধন হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
75% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সংগৃহীত নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৪৫ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৫২ নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একদিকে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, অন্যদিকে নার্সদের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মুক্তির মোড়ে ‘নওগাঁ নাগরিক অধিকার সংগ্রাম পরিষদ-এর ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন নিহত রোগীর স্বজনরা। বক্তারা অভিযোগ করেন, সুজন কুমার মণ্ডলের মাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর অক্সিজেন না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তারা বলেন, ‘অক্সিজেন মাস্ক লাগানোর পরও রোগীর অবস্থা উন্নতি হয়নি। পরে দেখা যায় লাইনে অক্সিজেন ছিল না। বিষয়টি জানানো হলেও নার্সরা গুরুত্ব দেননি।’ এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান তারা। সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মাহবুব আল হাসান সোহাগ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সেক্রেটারি মুফতি ইসরাফিল আলম, উপদেষ্টা খন্দকার রেজাউর রহমান টুকু, বাসদের জেলা কমিটির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন মুকুল ও ভাসানী পরিষদ নওগাঁর আহ্বায়ক জাহিদ রাব্বানী রশিদসহ অন্যরা। অন্যদিকে, একই ঘটনায় হাসপাতালের সামনে নার্সিং কর্মকর্তা ও ইন্টার্ন নার্সরা মানববন্ধন করেন। তারা অভিযোগ করেন, এনসিপি নেতা পরিচয়ে দেওয়ান মাহবুব আল হাসান সোহাগ হাসপাতালে এসে নার্সদের গালাগাল ও মারধর করেন। ইন্টার্ন নার্স ইয়ামিন হাসান বলেন, ‘সোহাগ আমাকে কেবিনে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন।’ সিনিয়র স্টাফ নার্স শবনম মুস্তারি বলেন, ‘নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। বিচার না হলে কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবো।’ ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. বারিউল হায়দার বলেন, ‘রোগীর সিভিয়ার অ্যানিমিয়াসহ নানা জটিলতা ছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে— এ অভিযোগ সঠিক নয়।’ অভিযোগের বিষয়ে জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মাহবুব আল হাসান সোহাগ বলেন, ‘রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে একজন পুরুষ নার্সকে দ্রুত ডাক্তার আনতে বলি। তিনি জানান, তার ডিউটি আট তলায়, নিচে যাবেন না। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি তাকে চড় মারি। এরপর সে ইমারজেন্সি ডাক্তারকে নিয়ে আসে। সোহাগ আরও বলেন, ‘রোগীর এমন সংকটজনক অবস্থায় ইমারজেন্সি ডাক্তারকে ডাকার দায়িত্ব কি রোগীর স্বজনদের, নাকি হাসপাতালের স্টাফদের? ডাক্তার এসে রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের বকাবকি করেন কেন আগে জানানো হয়নি।’ তিনি অভিযোগ করেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত নার্সদের অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানান। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ ম আখতারুজ্জামান জানান, ‘ঘটনার সময় ছুটিতে ছিলাম। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - নওগাঁ
