ফেনীতে তেল না পেয়ে হট্টগোল, পাম্পে পাথর নিক্ষেপ
Why this classification
Motorcycle riders who could not get fuel threw bricks and stones at a petrol pump, tore down a district administration notice, and behaved aggressively toward police. This is a concrete physical attack and vandalism incident. No deaths were reported and the officer said no damage was done, so severity is low.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৯ মার্চ ২০২৬ (রোববার) রাত প্রায় ২টায় ফেনী শহরের মেসার্স আবদুল কুদ্দুছ ফিলিং স্টেশনে অকটেন না পেয়ে ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকরা পাম্পে ইট-পাথর ছোড়ে এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। উত্তেজিত চালকরা পুলিশের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করে, পরে ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ফেনীতে তেল না পেয়ে হট্টগোল, পাম্পে পাথর নিক্ষেপ
ফেনীতে তেল না পেয়ে হট্টগোল, পাম্পে পাথর নিক্ষেপ Advertisement ফেনী প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২১ পিএম মেসার্স আবদুল কুদ্দুছ ফিলিং স্টেশন। ছবি: সংগৃহীত ফেনীতে অকটেন না পেয়ে মোটরসাইকেল চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে পাম্পে ইট পাথর ছোড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া পাম্পে ঝুলানো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রোববার (২৯ মার্চ ) রাত দুইটার দিকে জেলা শহরের মেসার্স আবদুল কুদ্দুছ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মোরশেদ জানান, তারা রোববার বিকাল থেকে বারবার হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দিয়েছেন যে রাত ১১ টার পর অকটেন ও ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখবেন। টানা জ্বালানি দিতে গিয়ে পাম্পের স্টাফরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। রাত ১০ টার দিকে সর্বশেষ ঘোষণা দেওয়া হয় ১১ টার পর বন্ধ থাকবে পাম্প। কিন্তু এসব ঘোষণা কানে নেননি মোটরসাইকেল চালকরা। রাত ১১ টার দিকে তেল বিক্রি বন্ধ করলে লাইনে থাকা চালকরা হট্টগোল শুরু করে। মোরশেদ বলেন, তখনও লাইনে অন্তত দেড়শ মোটরসাইকেল ছিল। তারা সবাই একসঙ্গে হর্ণ বাজিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে। কয়েকজন পাম্পের দিকে ইট পাথর ছুড়ে মারে। ছিড়ে ফেলেন পাম্পে ঝুলানো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ব্যানার। স্টাফরা সবাই ভয়ে অফিস কক্ষে ঢুকে পড়েন। তখন পাম্পে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। উত্তেজিত চালকরা পুলিশের সাথেও খারাপ ব্যবহার করে। কিছুতেই সামাল দিতে পারছিলনা তারা। পরে থানা ও সদর উপজেলা প্রশাসনকে জানালে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য পাম্পে আসেন। এভাবে চলতে থাকলে তারা অকটেন বিক্রি বন্ধ রাখার চিন্তা ভাবনা করবেন বলে জানান পাম্পের ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মোরশেদ। এবিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি ফৌজুল আজিম যুগান্তরকে জানান, মোটরসাইকেল চালকরা তেল না পেয়ে হট্টগোল শুরু করে। এসময় পাম্পে কয়েকটি ইট পাথর ছোড়া হলেও কোন ক্ষতি হয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য পাম্পে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। খবর পেয়ে ওই সময় পাম্পে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান। তিনি ঘটনা সম্পর্কে যুগান্তরকে বলেন, পাম্পে তখন অনেক ভিড় ছিল। মোটরসাইকেল চালকরা একটা 'মব' তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। তখন আমি হেলমেট না থাকায় একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করি। এটা দেখে যাদের কাগজপত্র ছিলনা তারা চলে যান এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
