শরীয়তপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, অর্ধশতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Shariatpur. Parties reported: Hafiz Bhuiyan Group, Rubel Kazi Group, Sohel Kazi Group. Reported casualties: 0 killed and 10 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Ajker PatrikaDhaka PostJugantorCorroborated · 3 sources
23/03/26•Taltala area, Rajnagar Union, Naria

Killed

0

Injured

10

Summary

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে হাফিজ ভূঁইয়া ও রুবেল কাজী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালীন শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও ২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Parties involved

Hafiz Bhuiyan GroupRubel Kazi GroupSohel Kazi Group

Tags

Gang WarLand DisputeVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 23/03/26open original ↗

শরীয়তপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, অর্ধশতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় হাফিজ ভূঁইয়া ও রুবেল কাজী গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনগর ইউনিয়নের তালতলা এলাকার সোহেল কাজী ও হাফিজ ভূঁইয়ার মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গতকাল রোববার বিকেলে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে আজ সকাল ৭টার দিকে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র ও বালতিভর্তি ককটেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। শরীয়তপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীতএ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘণ্টাব্যাপী ওই সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের সমর্থকেরা শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে দুপক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহত ব্যক্তিদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে নড়িয়া থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি তাজা ককটেল উদ্ধার এবং নারীসহ ১০ জনকে আটক করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক এবং দুটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Source 2: Dhaka Post · 23/03/26open original ↗

শরীয়তপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ২০

সারাদেশ শরীয়তপুর শরীয়তপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ২০ জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর ২৩ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩২ অ+ অ- শরীয়তপুরের নড়িয়ায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে। বিজ্ঞাপন সোমবার (২৩ মার্চ) ভোর ৬টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের তালতলা দরবেশকান্দি গ্রামে থেমে থেমে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটের স্লিপে নাম ভুল হওয়া নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও হাতবোমা ব্যবহার করে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে থাকায় গ্রামটি প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজ্ঞাপন নয়ন দাস/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 23/03/26open original ↗

বিএনপির সমর্থকদের ৪০ বাড়ি ভাঙচুর জামায়াতের, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

জাল ভোট নিয়ে মারধর বিএনপির সমর্থকদের ৪০ বাড়ি ভাঙচুর জামায়াতের, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থকদের ৪০টি বাড়িঘরে হামলা, মারধর, শত শত বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ৪টি গবাদি পশু লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের তালতলা কুরবির চর কালাই ভুঁইয়ার কান্দি ও দরবেশ খার কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মমতাজ বেগম, হাবিবা আক্তার ও নড়িয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন তালতলা দাখিল মাদ্র্রাসা কেন্দ্রে স্থানীয় বিএনপি সমর্থক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে ফারুক হাওলাদার জাল ভোট দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে। একই কেন্দ্রের ভোটার জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক রুবেল কাজী ও সোহেল কাজী বাধা দেয়। এর পর সোহেল কাজী ও রুবেল কাজীকে ব্যাপক মারধর করে বিএনপির সমর্থকরা। এদিকে রোববার বিএনপি সমর্থক হাফিজ ভুঁইয়ার ছেলে সাব্বির ভুঁইয়া মোটরসাইকেল নিয়ে তালতলা এলাকার মৃধার মোড়ে গেলে জামায়াত সমর্থক নাসির সিকদারের ছেলে নাইম সিকদারের লোকজন তাকে মারধর করে মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এর পর সোমবার সকালে জামায়াত সমর্থক নাসির সিকদার ও খলিল শেখের নেতৃত্বে শত শত লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বোমা নিয়ে হামলা চালালে বিএনপি সমর্থক মফিজ ভুঁইয়ার ৩টি, হাফিজ ভুঁইয়ার ৩টি, কালাম ভুঁইয়ার ৩টি, প্রবাসী জলিল বেপারী, আব্দুর রাজ্জাক বেপারী, আব্দুর রশিদ বেপারী, শামসুল হক রাড়ী, সুলতান রাড়ী, হালেম রাড়ী, সফু মোল্লা, জব্বর মোল্লা, সাইদুর মোল্লার, জামলা রাড়ীর ঘরসহ প্রায় ৪০টি ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা কালাম ভুঁইয়ার খামার থেকে ৪টি গরু, জলিল বেপারীর স্ত্রীর ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। হাফিজ ভুঁইয়ার মেয়ে রেশমা বেগম বলেন, সোমবার সকালে অতর্কিতভাবে নাসির সিকদার, খলিল শেখ রুবেল কাজী ও সোহেল কাজীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও তাজা বোমা নিয়ে আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা করে। আমার চাচা কালাম ভুঁইয়ার ৪টি গরু লুট করে নিয়ে গেছে। বোমা মেরে আমাদেরকে চরম আতংকে ফেলে দেয়। আল ইসলাম মোল্লার স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, নাসির সিকদার ও রুবেল কাজীর লোকজন আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা করেছে। উল্টো পুলিশ আমার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। রাজনগর ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার হাসিনা বেগম বলেন, নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাড়ীরা মারছে কাজীদের আর কাজীরা মারছে তাদের। এ নিয়ে আজকে উভয় গ্রুপের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। এ ব্যাপারে মফিজ ভুঁইয়া বলেন, জামায়াত সমর্থকরা নির্বাচনের মারামারির জেল ধরে আমাদের বাড়ি ঘরে ককটেল ফাটিয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। স্বর্ণালংকার নগদ টাকাসহ আমাদের ৪টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। জলিল বেপারীর স্ত্রী সারিকা বেগম বলেন, আমাদের ঘর ভাঙচুর করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে জামায়াত সমর্থকরা। এ ব্যাপারে নাছির সিকদার ও সোহেল কাজী গংদের একাধিকবার ফোন দিয়ে ও পাওয়া যায়নি। নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া বলেন, তালতলা বাজার ও মৃধাবাড়ী এলাকায় গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট নিয়ে মারামারি হয়েছে। এর জেরে হামলায় অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এক পক্ষ। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছে। আমরা ১০ জনকে আটক করেছি। ২টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেশ কিছু বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।