অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
Why this classification
The incident is a valid report of a murder and abduction. It is classified as criminal violence because the article does not identify the perpetrators as a specific political party.
Killed
1
Injured
0
Summary
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে খুটাখালী ন্যাশনাল পার্কের পাশ থেকে তার লাশ পাওয়া যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ ইসফাতুল ইসলাম জিসান চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৪৭ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:১৩ কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৭) বাড়ি ফেরার পথে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে জিসান চকরিয়া সদর থেকে কাকারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোটনি গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় কাকারা গারা পাড়া রাস্তার মাথায় একটি মাইক্রোবাস নিয়ে তার গতিরোধ করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশকে জানানো হলে খুটাখালী ন্যাশনাল পার্কের পাশ থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি চকরিয়া থানার ওসি আরিফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। নিহত ছাত্রদল নেতার বাবা নাজেম উদ্দিন নাজুর অভিযোগ, তার ছেলেকে অপহরণ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। - বিষয় : - কক্সবাজার - চকরিয়া - ছাত্রদল নেতা - মরদেহ উদ্ধার
চকরিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আটক ৩
চকরিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আটক ৩ Advertisement চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ৭ বছর বয়সি এক ছেলেকে বলাৎকারের পর হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মঙ্গলবার উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের ডোবা থেকে তার লাশ পাওয়া গেছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। নিহত শিশু ওয়াহিদুল ইসলাম মাইজপাড়া গ্রামের তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে। আর আটকরা হলো-একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মানিক ওরফে কাবিলা, আবদুল আজিজের ছেলে তারেক ও আরমান। সোমবার সন্ধ্যা থেকে ওয়াহিদুল নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় তার লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, শিশুটির মলদ্বারে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বলাৎকারের পর তিনজন মিলে শিশুটিকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পুলিশের কাছে আটকরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান পূর্ব বড় ভেওলা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হারুনুর রশিদ।
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা হত্যা বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা, জ্ঞান ফিরলেই ছেলেকে এনে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন
মিনু আকতারের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠে পরিবেশ। ছেলের হত্যার বিচার চান তিনি। গতকাল দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকায়প্রথম আলো ‘আঁর ফোয়া নির্দোষ। ফোয়ারে জোর গরি তুলি লই যাই মারি ফেলাইয়ে। আঁর ফোয়ারে আনি দ তোঁয়ারা।’ ছেলের জন্য এভাবেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় আহাজারি করছিলেন নিহত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম ওরফে জিসানের মা মিনু আকতার (৫০)। শোকে কখনো মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদছিলেন তিনি। জ্ঞান হারাচ্ছিলেন ক্ষণে ক্ষণে। জ্ঞান ফিরলেই তাঁর একটাই আকুতি, ‘আমার ছেলেকে এনে দাও।’ ইসফাতুল ইসলাম কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত রোববার রাতে তাঁকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার চার ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপুরে কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকায় ইসফাতুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে আছে পরিবেশ। বাড়ির উঠানজুড়ে ভিড় করেছেন প্রতিবেশী ও স্বজনেরা। মায়ের কান্না যেন থামছেই না। মিনু আকতার বলেন, ‘আমার দুই ছেলে আর তিন মেয়ে। জিসানকে মাস্টার্স পাস করিয়েছি। ব্যবসা করত সে। সুখের সময় আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে ওরা।’ রোববার রাত ১১টার দিকে কাকারা ইউনিয়নের সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে ইসফাতুলকে জোর করে একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয় বলে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দলের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন এলাকায় তাঁর খোঁজ করতে থাকেন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানেও তাঁরা পাহারা বসান। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জানান, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তাঁদের কাছে খবর আসে, চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে ইসফাতুলকে আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে নেতা–কর্মীরা গেলে তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে পুলিশ গিয়ে ভবনটিতে তল্লাশি চালায়। এর মধ্যেই খবর আসে, মহাসড়কের পাশে ইসফাতুলের লাশ পড়ে আছে। পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ইসফাতুলের বড় ভাই মো. কায়সার অভিযোগ করেন, অপহরণের পর সবুজবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে ইসফাতুলকে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হলে মরদেহ গাড়িতে তুলে মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার নির্জন এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। ইসফাতুলের বাবা নাজেম উদ্দিনও ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, চকরিয়া পৌর শহরের জনতা শপিং কমপ্লেক্সে কাপড়ের ব্যবসা করতেন ইসফাতুল। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর হত্যা করে মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। তিনি ছেলের হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন। নিহত ইসফাতুলের বড় ভাই মো. কায়সার অভিযোগ করেন, অপহরণের পর সবুজবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে ইসফাতুলকে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হলে মরদেহ গাড়িতে তুলে মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার নির্জন এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজনের দাবি, সবুজবাগ আবাসিক এলাকার ভবনগুলোতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। আবাসিক এলাকায় ঢোকা ও বের হওয়ার পথেও ক্যামেরা আছে। যে ভবনটিতে ইসফাতুলকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, সেখানেও সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করলে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সহায়তা হতে পারে বলে তাঁরা মনে করেন। নিহত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম ওরফে জিসানছবি: সংগৃহীত ইসফাতুলের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সবুজবাগ আবাসিক এলাকার ওই ভবন থেকে চার নারী ও এক প্রহরীকে আটক করেছে। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও কারা এর পেছনে জড়িত, সে বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে। আবাসিক এলাকার ওই ভবনে পুলিশের পাহারা বসানো হয়েছে। স্বজনদের ভাষ্য, ইসফাতুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলে। তাঁকে পড়াশোনা করিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার পর তাঁর মা-বাবা যখন একটু স্বস্তির সময় কাটানোর কথা ভাবছিলেন, তখনই এমন মৃত্যুতে তাঁদের সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন চকরিয়াকক্সবাজারচট্টগ্রামঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগহত্যা
