বন্দরে নারীকে হত্যার চেষ্টা, গ্রিল মিস্ত্রিকে গণপিটুনি
Why this classification
The article reports a grill mechanic slashing a woman's throat with a knife and a subsequent mob beating, which are physical attacks resulting in injury, so it meets the definition of violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
বন্দরের ২১ নং ওয়ার্ডে গ্রিল মিস্ত্রি আক্তার হোসেন মমতাজ বেগমের গলা কেটে হত্যা করার চেষ্টা করেন; স্থানীয়রা তাকে চোর বলে ধরতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারধর করে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বন্দরে নারীকে হত্যার চেষ্টা, গ্রিল মিস্ত্রিকে গণপিটুনি
বন্দরে নারীকে হত্যার চেষ্টা, গ্রিল মিস্ত্রিকে গণপিটুনি Advertisement বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বন্দরে জানালার গ্রিল মেরামত করতে এসে দেনা-পাওনা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জের ধরে মমতাজ বেগম নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে এক গ্রিল মিস্ত্রির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মিস্ত্রির নাম আক্তার হোসেন। শুক্রবার সকালে ২১নং ওয়ার্ড বন্দরের লেজারার্স আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে আক্তারকে আটক করে চোর আখ্যা দিয়ে বেধড়ক মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ করে। এ গণপিটুনির ঘটনা ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়। ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম জানান, আক্তার হোসেনের একটি গ্রিল ওয়ার্কশপ রয়েছে। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে মমতাজ বেগমের বাড়ির গ্রিলের কাজসহ নির্মাণের অন্যান্য কাজ আক্তারকে দিয়েই করাতেন। সম্প্রতি বাড়ির একটি জানালা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটি মেরামতের জন্য শুক্রবার আক্তারকে ডেকে আনা হয়। এ সময় দেনা-পাওনা নিয়ে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি গলায় চেপে ধরেন। বন্দর থানার ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফউদ্দিন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, তিনি মমতাজ বেগমের কাছে টাকা পান। সেই টাকা চাওয়ায় উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। আক্তারকে চোর আখ্যা দিয়ে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
