কুয়াকাটায় স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীদের বিরুদ্ধে দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident is classified as political violence because members of the Swechasebak Dal allegedly attacked and vandalized a shop in Zero Point, Kuakata, Patuakhali, to demand extortion. The attack resulted in one injury and the theft of 22,000 BDT. While the perpetrators are identified as Swechasebak Dal workers, the specific victim side is not recorded. This classification is supported by three corroborating sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaDhaka PostCorroborated · 3 sources
19/02/26•Zero Point, Kuakata

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় চাঁদার দাবিতে ‘তানিসা আচার ঘর’ নামক একটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীরা। হামলায় দোকানের এক কর্মচারী আহত হন এবং ক্যাশ থেকে ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

98% · severity 3

Parties involved

Swechasebak DalBNP

Tags

Party ClashExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 19/02/26open original ↗

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে দোকানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় তানিসা আচার ঘর নামের একটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে মালামাল তছনছ করে ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াকাটা সৈকতের শূন্য পয়েন্ট এলাকার ওই দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ছয় থেকে সাতজন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে এই হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলে জানা গেছে। মারধর করা হয় দোকানের ম্যানেজারকে। এ ঘটনায় দোকানমালিক মনিরুল হাওলাদার মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মনিরুল হাওলাদার জানান, প্রকাশ্যে দিবালোকে দোকানে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়। দোকানের ম্যানেজার হাসানকে পিটিয়ে জখম করা হয়। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ায় তিনি প্রথমে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। মহিপুর থানা-পুলিশ গেলে সন্ত্রাসীরা সটকে পড়ে। পরে এ ঘটনায় জড়িত কুয়াকাটার হুইচানপাড়া এলাকার মাকসুদ আকন, শাহীন মুসল্লী ও মো. রহিমের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। মাকসুদ আকন কুয়াকাটা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। মনিরুল দাবি করেন, তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মাকসুদ আকনের নম্বরে কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার জানান, ওই জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তারপরও কারও দোকানে হামলা-ভাঙচুর করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখবেন। পরে দলের নেতাদের অবহিত করা হবে। কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই। দোকানে হামলা। ছবি: সংগৃহীতমহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান জানান, তিনি শুনেছেন ওই জায়গার মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তবে এ ঘটনার পরে থানার একজন কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Source 2: Dhaka Post · 20/02/26open original ↗

কুয়াকাটায় দোকানে হামলা, স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা গ্রেপ্তার

সারাদেশ পটুয়াখালী কুয়াকাটায় দোকানে হামলা, স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা গ্রেপ্তারজেলা প্রতিনিধিপটুয়াখালী২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৩অ+অ-কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের একটি আচারের দোকানে হামলা চালানোর ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সদস্য মো. মাকসুদ আকনকে গ্রেপ্তার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের জিরো পয়েন্ট এলাকায় দোকানে হামলায় চালায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক মো. মনিরুল হাওলাদার তিনজনকে আসামী করে মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একইদিন সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত মো. মাকসুদ আকনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কুয়াকাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক মো. আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘তানিসা আচার ঘর’ নামের দোকানে মো. হাসান নামে এক যুবক ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে প্রধান অভিযুক্ত মো. মাকসুদ আকনসহ আরও তিন থেকে চারজন দোকানে এসে ম্যানেজার হাসানকে বাইরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা হাসানকে মারধর করেন এবং দোকানের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। অভিযোগে বলা হয়, ভাঙচুরের সময় দোকান থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। দোকান মালিক মনিরুল ইসলাম বলেন,“মাকসুদ আমার দোকানে লুটপাট করেছে। সে চাঁদাবাজির মতই দোকানে এসে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করে। সে বলে, সে নাকি একজনের কাছ থেকে টাকা দিয়ে এই দোকান ভাড়া নিয়েছে। আমাকে সে দোকান ছাড়তে বলে, না হয় সেই টাকা দিতে বলে। ভাঙচুরের ঘটনায় আমার প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমি অনেক আগেই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বারেক মোল্লার কাছ থেকে দোকানটি ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি এলাকায় না থাকায় দোকানটির জমি নিজেদের বলে দাবি করছেন স্থানীয় দুই থেকে তিনজন বিএনপি সমর্থক। ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীনও কখনো শুনিনি এ জমি তাদের। কিন্তু ৫ তারিখের পর থেকেই তারা দাবি করছে। মালিকানা দাবি করা তাদের একজনের কাছ থেকেই নাকি টাকা দিয়ে চুক্তিপত্র নিয়েছে মাকসুদ। এজন্য সে আমাকে বারবার দোকান ছাড়তে বলে। এ ঘটনার জের ধরেই সে আজ আমার দোকানে হামলা চালায়।” প্রধান অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্তের চাচাতো ভাই মামুন আকন বলেন,“দোকানের জমি নিয়ে আমার চাচাতো ভাই মাকসুদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল। সে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিস্তিতে টাকা এনে জমির চুক্তির জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছে। এতদিন সে কষ্ট করে সেই টাকা পরিশোধ করছিল। কিন্তু চুক্তি নেওয়া সত্ত্বেও মালিকানা না পাওয়ায় সে ক্ষুব্ধ হয়। সে চাঁদা দাবি করেনি, শুধু দোকান ছাড়তে বলেছিল। এখন তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আমাদের বংশে কেউ কখনো কোনো অপরাধে থানায় যায়নি। আমরা বিষয়টির আইনি সমাধান চাই।” এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান ঢাকা পোস্টকে বলেন,“প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এমটিআই

Source 3: Prothom Alo · 19/02/26open original ↗

চাঁদার দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে দোকানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের জিরো পয়েন্ট এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে একটি দোকানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দোকানমালিকের অভিযোগ, হামলার সময় ক্যাশবাক্স থেকে ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের ‘তানিসা আচার ঘর’ নামের ওই দোকানের মালিক মনিরুল হাওলাদার মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কুয়াকাটার হুইসেন পাড়া মহল্লার মাকসুদ আকন, শাহীন মুসল্লী, আবদুর রহিমসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয়জন এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা কুয়াকাটা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে তিনি জানান। মনিরুল হাওলাদার বলেন, চাঁদার দাবিতে হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে হঠাৎ দোকানে ঢুকে ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের কর্মচারী হাসানকে পেটানো হয়। একপর্যায়ে মাকসুদ আকন নামের একজন দোকানের ভেতরে ঢুকে গালাগাল দিতে থাকেন। এ সময় দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক জরুরি মুঠোফোন সেবা ৯৯৯-এ কল করে জানানো হয়। খবর পেয়ে মহিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে মাকসুদ আকনের বক্তব্য জানতে তাঁকে কল করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তিরা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী-সমর্থক। তবে দলে তাঁদের কোনো পদ-পদবি নেই। ওই দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তারপরও কারও দোকানে হামলা-ভাঙচুর করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখব। এ ছাড়া দলের নেতাদের জানানো হবে। কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।’ মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহব্বত খান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পর্যটন স্পটহামলাবরিশালপুলিশকুয়াকাটাপর্যটনপটুয়াখালীবরিশাল বিভাগভাঙচুর